1. abutalha6256@gmail.com : abdul kadir : abdul kadir
  2. abutalha625616@gmail.com : abu talha : abu talha
  3. asadkanaighat@gmail.com : Asad Ahmed : Asad Ahmed
  4. izharehaq24@gmail.com : mzakir :
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৬:১৫ অপরাহ্ন

ত্রুটিযুক্ত শিক্ষা জাতিকে জ্ঞানের রস থেকে বঞ্চিত করছে

সৈয়দ মবনু
  • প্রকাশটাইম: মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

পরীক্ষায় ভালো ফালাফল কিংবা বেশি বই পড়লেই জ্ঞানী হওয়া যায় না। জ্ঞানের জন্য তত্ত্বের নির্জাস আহরণটা জরুরি। অনেক মানুষ জানেনই না ‘তথ্য’ আর ‘তত্ত্বে’ ব্যবধান কী। অনেক মানুষ তথ্য সংগ্রহকে জ্ঞানী হওয়া মনে করে নিয়েছেন। ফলে সমাজে বিভিন্ন ভুলকে শুদ্ধ কিংবা শুদ্ধকে ভুল বলে শিক্ষিতদের থেকেই বেশি প্রচার হচ্ছে। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সকল ত্রুটি রয়েছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নোট ভিত্তিকতা। নোট পড়ে পরীক্ষায় ভালো ফল পাওয়া যায়, কিন্তু বইয়ের মূল রস আহরণ করা যায় না। ফলে বই একজন মানুষের চিন্তার চোখ যেভাবে খুলে দেওয়ার কথা ছিলো সেভাবে খুলতে পারে না। যেকোন বইয়ের রস পেতে হলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠ করতে হয়। কিন্তু আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে তা হয় না। এই দোষ যেমন স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে তেমনই মাদরাসায়ও।

মাদরাসাগুলোতে যে কিতাবসমূহ পূর্ণাঙ্গ পড়া জরুরী ছিলো সেগুলো খুবই অবহেলিতভাবে পড়ানো হয়। বিশেষ করে তাফসির আর সিয়াসিত্তার কিতাব পড়ানোর ক্ষেত্রে অনেক ফাঁকিবাজি চলে। অনেক মাদরাসার বিভিন্ন শিক্ষক বক্তা, তারা ওয়াজের মৌসুমে ক্লাস ফেলে ওয়াজ মাহফিল নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। অনেক আছেন নেতা, তারা ব্যস্ত থাকেন মিটিং-মিছিল নিয়ে। অনেক মাদরাসার মুহতামিম ও শিক্ষককে মাদরাসার জন্য চাঁদা উঠাতে হয়, তাই তারা নিয়মিত ক্লাসে সময় দিতে পারেন না। ফলে বছর শেষে দ্রুত সিলেবাস শেষ করতে গিয়ে বেশ ফাঁকিবাজি করতে হয়। মূলত ক্ষতিটা প্রত্যক্ষভাবেই ছাত্র-ছাত্রীদের হয়ে থাকে। এমনি সময় থেকে সিলেবাস অনেক বড়, তারপর নিয়মিত ছুটি ছাড়াও এদিক-সেদিক সময় ব্যয়। নিয়মিত ছুটি তো আর আছেই।

স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তো আরও খারাপ অবস্থা। যাদের প্রাইভেট পড়ার তৌফিক আছে তাদের অবস্থা ভিন্ন। কিন্তু যে শিক্ষক নোট দিয়ে লেখা পড়া করেছেন তাঁর কাছে একজন ছাত্র কী আশা করতে পারে? তাই বলি প্রয়োজনে সিলেবাসের ওজন কমিয়েও একজন ছাত্র-ছাত্রী পূর্ণাঙ্গ কিতাব পড়ার সহযোগ করে দেওয়া প্রয়োজন। মাদরাসাগুলোতে প্রয়োজনে আলেম ক্লাসে গিয়ে ক্লাসকে ভাগ করা যায় তাফসির ক্লাস, ফিকহে ক্লাস, হাদিস ক্লাস ইত্যাদিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
copyright 2020:
Theme Customized BY MD MARUF ZAKIR