1. abutalha6256@gmail.com : abdul kadir : abdul kadir
  2. abutalha625616@gmail.com : abu talha : abu talha
  3. asadkanaighat@gmail.com : Asad Ahmed : Asad Ahmed
  4. izharehaq24@gmail.com : mzakir :
শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

আনুগত্যশীল মন ছাড়া সুখ কিংবা সফলতা লাভ হতে পারে না

সৈয়দ মবনু
  • প্রকাশটাইম: বুধবার, ৯ জুন, ২০২১

মুর্শিদ, পির, শায়েখ, লিডার, কমরেড, আমীর, সভাপতি, চেয়াম্যান, ম্যানেজার, হুজুর, মাস্টার, শিক্ষক ইত্যাদি আপনি যে নামেই ডাকেন না কেন কথাতো একটাই, মানলে আনুগত্য প্রকাশ। না মানলে ঘোড়ার আণ্ডা। আনুগত্য জীবনের জন্য অনেক বড় জিনিস। সবার পক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস মনে-প্রাণে অর্জন সম্ভব হয় না। জীবনে কাউকে মানতে হয় দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা সামনে যাওয়ার জন্য। পূর্ণাঙ্গ আনুগত্যশীলতা ছাড়া সফল জীবনের স্বাদ পাওয়া যায় না।

আনুগত্যশীল হওয়া ইসলামের মৌলিক অন্যতম একটি ফরজ। ইসলামে সাধন-ভজন কিছুই পূর্ণ হয় না আনুগত্য ছাড়া। পবিত্র কোরআন স্পষ্ট বলে দিয়েছে আনুগত্য হবে আল্লাহ, রাসুলের প্রতি এবং তাদেরকে যারা আনুগত্য দিয়েছে তাদের প্রতি। এখানে তৃতীয়ত বলা হয়েছে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে মানবে তাদের প্রতি আনুগত্য। এই ধারা কিয়ামত পর্যন্ত চলবে। স্মরণ রাখতে হবে, বলা হয়েছে মানবে যারা। বলা হয়নি জানবে যারা, যদিও তা সত্য মানতে হলে জানতে হয়। কিন্তু শুধু জাননেওয়ালাকে মানা যাবে না, মাননে ওয়ালাও হতে হবে।

এখন চিন্তা করুন, যে লোক মিথ্যা বলে, বিভিন্ন প্রকার হারাম খায়, মানুষকে বিভিন্নভাবে ধোঁকা এবং কষ্ট দেয়, আবার দাবী করে আমি আল্লাহ – রাসুলকে মানি, তবে কি তাকে মাননেওয়ালা বলা যাবে? ইসলামের দৃষ্টিতে সে আনুগত্যশীল নয়। সে যতই জানুক, তাকে আনুগত্যশীল বলা যাবে না। এই রকমের মানুষ যত বড় পাগড়ীওয়ালা, টুপিওয়ালা, দাঁড়িওয়ালা, তাসবিহওয়ালা হন কেন, তবু আনুগত্য দেওয়া যাবে না। আনুগত্য দিলে ধোঁকা খেতে হবে।

শুধু ইসলামে নয়, ইসলামের বাইরেও কারো সাধনপূর্ণ হবে না এই রকমের মুর্শিদ, পির, শায়েখ, লিডার, কমরেড, আমীর, সভাপতি, চেয়াম্যান, ম্যানেজার, হুজুর, মাস্টার, শিক্ষক ইত্যাদি দিয়ে। সাধনগুরু লোভ, ক্ষোভ, কাম, মোহের উর্ধ্বে না হলে সঠিকভাবে সাধন হয় না। সঠিক সাধনা ছাড়া ভজন গাড়ি চলে না।

বড় শিক্ষিত বা আলেম হলেই গুরু হওয়ার যোগ্যতা অর্জন হয় না। গুরু হতে হলে নিজকে লোভ, রাগ, উত্তেজনা, মোহ থেকে ঊর্ধ্বে নিয়ে যেতে হয়। আর তা শুধু বই পড়ে একাকি কারো পক্ষে সম্ভব নয়। যদি সম্ভব হতো তবে আল্লাহ পাক শুধু কিতাব পাঠিয়ে দিতেন, হাতে-কলমে শিক্ষা আর প্রশিক্ষণের জন্য রাসুল বা নবী পাঠানোর প্রয়োজন হতো। ঘোষণা দিতেন না; আতিউল্লা (আল্লাহকে আনুগত্য করো), আতিউর রাসুল (রাসুলকে আনুগত্য করো), উলিল আমরি মিনকুম অর্থাত ( প্রত্যেকের নিজের সময়) আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে যারা আনুগত্য করেছে তাদেরকে আনুগত্য করতে।

অনেক পণ্ডিতের মুখে শুনেছি, জানার নাম দ্বীন নয়, মানার নাম দ্বীন। মানতে হবে। আনুগত্য করতে হবে। মনকে আনুগত্যশীল বানাতে হবে। মন আনুগত্যশীল না হলে দীর্ঘ সময় সাধনার পথে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না এবং সাধন পূর্ণ হয় না। সাধন পূর্ণ না হলে মন স্থির হয় না, মন স্থির না হলে সুখ, শান্তি, সফলতা আসে না। যে যার প্রতি যেমন আনুগত্য রাখে তার মধ্যে ওকেই খুঁজে পাওয়া যায়। সঙ্গ গুনে লোহাও জলে ভাসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
copyright 2020:
Theme Customized BY MD MARUF ZAKIR