ভারতের বর্তমান পরিস্থিতিতে “আই লাভ মুহাম্মদ” (#ILoveMuhammad) প্রচারণা নিয়ে বিভিন্ন স্তরের বুদ্ধিজীবী ও প্রবীণদের মধ্যে আপত্তি দেখা দিয়েছে। তবে প্রচারণার সমর্থকরা বলছেন, যখন রাস্তাঘাটে কুফর ও শিরকের প্রদর্শন খোলাখুলি হচ্ছে, তখন তাওহিদ ও রিসালাতের (একত্ব ও নবুয়ত) ঘোষণা করাও ঈমানি প্রভাব রাখে।
তাদের দাবি, এ প্রচারণা ইসলামের শিক্ষার সঙ্গেই সঙ্গতিপূর্ণ। সমালোচক প্রবীণদের উদ্দেশে তারা প্রশ্ন তুলেছেন—যদি অতীতে মুসলমানদের আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা হতো, তবে আজ ভারতের মুসলমানদের জীবন, নাগরিকত্ব ও পরিচয় নিয়ে এত সংকট তৈরি হতো না।
সমর্থকদের মতে, বর্তমান প্রজন্ম যখন নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে, তখনই কিছু প্রবীণ বুদ্ধিজীবী ভয় পাচ্ছেন যে এর ফলে হিন্দুত্ববাদীদের প্রতিক্রিয়া বাড়তে পারে। তাদের অভিযোগ, অতীতের নেতৃত্ব মুসলমানদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলেনি বলেই আজকের মুসলিম প্রজন্মকে লড়াই করতে হচ্ছে।
এছাড়া তারা বলছেন, যারা নামুসে রিসালাত (রাসুলের সম্মান রক্ষা) ও মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সংস্কৃতি বোঝেননি, তারা অন্তত প্রশ্ন তোলা থেকে বিরত থাকুন।
প্রচারণাকারীরা দৃঢ়ভাবে বলছেন—যারা “আই লাভ মুহাম্মদ” প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন তারা নির্ভয়ে তা চালিয়ে যাক, এর মাধ্যমে তারা আধ্যাত্মিকভাবে পুরস্কৃত হবেন এবং আল্লাহ তাদের কবুল করবেন—ইনশাআল্লাহ।
