বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কর্তৃক মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মোঃ সামিউল হক পিয়াস মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের ৫৩ তম ব্যাচের ছাত্র। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বহিষ্কার হওয়া সাফওয়ান চৌধুরীর রেবিল আমার সহপাঠী ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয় বাসে এবং ক্যাম্পাসে অস্ত্র বহন (চাকু, ছুরি, হাতুড়ি ইত্যাদি) এবং সন্ত্রা/সী মূলক কার্যক্রমে উস্কানি দেয়া ও গত ১২/০৮/২০২৫ তারিখে দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক ডঃ মোঃ সারোয়ার হোসেন স্যার,ও আসিফ মাহতাব স্যারকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্যে হ/ত্যার হু/মকি দেয়া, একই সাথে শির/চ্ছেদকৃত মাথার ব্যঙ্গচিত্র আঁকার অপরাধে গত ১৩/০৮/২০২৫ ইংরেজি তারিখে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়।
উল্লেখ্য যে সাফওয়ান চৌধুরী রেবিল ২০২২ সালের জুলাই মাসে ছেলে পরিচয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়। পরবর্তীতে সে নিজেকে ট্রান্স/জেন্ডার হিসেবে দাবি করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন আওয়ামী পন্থী ভি.সি. ড. মোঃ জহিরুল হক তাকে ট্রান্স/জেন্ডার হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ২০% স্কলারশিপ প্রদান করে।
ভি.সি জহিরুল হক এর সময়ে সাফওয়ান নারী দিবসে ট্রান্স/জেন্ডার হিসেবে বক্তব্য রাখে এবং জনসম্মুখে স্কলারশিপ গ্রহণ করে।
সুতরাং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের দাবি মোতাবেক ট্রান্স/জেন্ডার হওয়ার কারনে মবের শিকার হয়ে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে হয়েছে উক্ত তথ্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট।
সাফওয়ান চৌধুরী তার ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইলে তার ছবির উপরে ভার্সিটির বাস সিডিউল শেয়ার করে মানুষকে তাকে হ/ত্যার জন্য আহ্বান জানায়। এবং নিচে উল্লেখ করে
“L/G/B/T/Q Marriage rights or D/eath.”
বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে হ/ত্যার হুমকি দেওয়া Antarctica Chowdhuri নামক ফেসবুক আইডিটির প্রোফাইল পিকচারেও ঐ একই ছবি দেখতে পাওয়া যায়। (নিম্নে ছবি সংযুক্ত করা হলো)
তার প্রোফাইলে বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক (L/G/B/T/Q Marriage rights) এবং হ/ত্যা উস্কানিমূলক ছবি সংযুক্ত করা ও একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস সিডিউল শেয়ার করে তাকে হ/ত্যার আহ্বান জানানো বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
ক্লাসে ও বাসে অ/স্ত্র বহন করাও উক্ত নীতিমালায় অপরাধ। যার প্রেক্ষিতে গত ২৪ জুলাই আমরা ইংরেজি বিভাগের ৫৩ তম ব্যাচের পক্ষ থেকে কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী ইংরেজি বিভাগের প্রধান শিক্ষকের কাছে এ বিষয়ে সরাসরি অভিযোগ জানাই। বিভাগীয় প্রধান শিক্ষক আমাদেরকে পরবর্তীতে লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য বলেন এবং প্রমাণস্বরূপ আরো কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে বলেন।(যা ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে)
গত ১২/০৮/২০২৫ তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে হ/ত্যা হু/মকি দেয়ার পর তার উক্ত অপরাধ এবং পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় নীতিমালার লঙ্ঘনের অপরাধের বিষয়াদি বিবেচনা করে তাকে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি প্রশাসন সাফওয়ান চৌধুরী রেবিলকে স্থায়ী বহিষ্কার করে।
বিঃদ্রঃ
১) সাফওয়ান চৌধুরী তার প্রোফাইলে তাকে হ/ত্যার জন্য নিজেই সবাইকে আহবান করত, সে তার একাধিক ফেসবুক পোস্টে তার অবস্থান এবং তার ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য দিয়ে রেখেছিল।
তার এরকম আহ্বান সন্ত্রা/সীমুলক কর্মকাণ্ড
উস্কে দেয়।
২) সাফওয়ান চৌধুরী রেবিল ট্রান্স/জেন্ডার হয়েও ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত নির্দ্বিধায় অধ্যায়নরত ছিল। আওয়ামী পন্থী ভি.সি ড.মোঃ জহিরুল হক এর মদদে সে ট্রান্স/জেন্ডার হিসেবে অতিরিক্ত ২০% স্কলারশিপ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছে।
৩) শ্রেণিকক্ষে এবং বাসে অ/স্ত্র বহন করে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাস সিডিউল শেয়ার করে সে মানুষকে তাকে হ/ত্যার আহ্বান জানায়। এর মাধ্যমে সে নিজেকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। তার এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করনের অন্যতম প্রধান কারণ।
৪) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক L/G/B/T/Q মতবাদের বৈধতা চেয়ে, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে হত্যার হুমকি দিয়ে সে সরাসরি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি কর্তৃক সাফওয়ান চৌধুরী রেবিল কে স্থায়ী বহিষ্কার করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
সাফওয়ান চৌধুরীর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সকল তথ্য প্রমাণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট বিদ্যমান।
সুতরাং,
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কর্তৃক মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করার জন্য তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই।
এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ও ইসলামপন্থী ডানপন্থীদের মিথ্যা সমালোচনা করা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও নানা অপরাধের কারণ হতে পারে।
নিম্নে সাফওয়ান চৌধুরীর উস্কানিমূলক হ/ত্যার আহ্বান সমৃদ্ধ প্রোফাইল পিকচার ও অন্যান্য প্রমাণাদি সংযুক্ত করা হলো।
