“লোক ভাবে আমরা পরদেশি, অথচ বহুদিন ধরে এই শহরেই বসবাস করছি”—এই আবেগঘন কবিতার পংক্তি উচ্চারণের মধ্য দিয়ে আজকের দিনটি শুরু করেন লুধিয়ানায় অবস্থানরত ত্রাণকর্মীরা।
আজ লুধিয়ানা সেন্টারে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় চলমান কার্যক্রমের ৩৫তম দিন। দৃশ্যমান ছবিতে দেখা যায়, কর্মীরা সযত্নে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্যাকেট প্রস্তুত করছেন — প্রতিটি ব্যাগে স্পষ্টভাবে লেখা “Jamiat Ulama-e-Hind, Mewat — Punjab Flood Relief।”
সংগঠনের সদস্যরা জানান, প্রবাসী ও স্থানীয় দাতাদের পক্ষ থেকে পাঠানো সহায়তার অধিকাংশই ইতিমধ্যে দুর্গত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কিছু অমানত (দাতা প্রদত্ত ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা) অবশিষ্ট আছে, যা শিগগিরই বন্যা দুর্গতদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
একজন দায়িত্বশীল সদস্য বলেন,
> “আমাদের ওপর অর্পিত প্রতিটি অমানত যেন যথাস্থানে পৌঁছে — এই দায়িত্ব নিয়েই আমরা কাজ করছি। ইনশাআল্লাহ, সব সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পর শিগগিরই ওয়াতান প্রত্যাবর্তন করব।”
এদিন সেন্টারে কর্মীরা প্যাকেজিং ও লোডিং কাজে ব্যস্ত সময় কাটান। শত শত বস্তায় চাল, ডাল, তেল, পোশাক ও শুকনো খাবার সাজানো হয় রওনা দেওয়ার অপেক্ষায় থাকা ট্রাকের জন্য।
ফ্রিডম ফাইটার ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয় — “দাতাদের পাঠানো প্রতিটি টাকার সদ্ব্যবহার হচ্ছে, কোনো কিছুই অপচয় করা হচ্ছে না। সব কাজ স্বচ্ছভাবে চলছে।”
সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রবাসী ও স্থানীয় সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলা হয় —
> “দোয়া করুন, যেন এই মানবিক সেবা সম্পূর্ণভাবে শেষ করে আমরা নিরাপদে দেশে ফিরতে পারি।”
