নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র অপূর্ব পাল কর্তৃক পবিত্র কুরআন শরীফের ওপর পা রেখে ভিডিও ধারণ এবং পরবর্তীতে কুরআনের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলার ন্যাক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ।
আজ শনিবার (৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির এই নিন্দা জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, “৯০ ভাগ মুসলমানের এই দেশে এমন জঘন্য দুঃসাহস আমাদের ঈমানী চেতনার প্রতি প্রকাশ্য উপহাস। এ ধরনের নিকৃষ্ট কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাশতযোগ্য নয়।”
তারা আরও বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি—অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে শাস্তির মুখে না ঠেলে বরং ‘সেইফ এক্সিট’ দিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এটি শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীনতাই নয়, বরং দেশের মুসলমানদের ঈমানী অনুভূতির প্রতি প্রকাশ্য অবমাননা।”
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ নর্থ সাউথ ইউনিভার্সয় প্রশাসনের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, “অপরাধীর বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে কুরআনের মর্যাদা রক্ষায় আমরা যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “অতীতেও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ভেতরে ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের নজির রয়েছে। এবারও যদি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে পুরো জাতির কাছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি চরম প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।”
পবিত্র কুরআনের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ সবসময় আপসহীন অবস্থানে থাকবে।
