সন্তানদের শুধু বই-কিতাবের জ্ঞান অর্জন করলেই যথেষ্ট নয়; তাদের হতে হবে নৈতিকভাবে শক্তিশালী, চরিত্রবান এবং সমাজ ও দেশের জন্য কল্যাণকামী নাগরিক। এজন্য অভিভাবক ও মাদরাসা উভয়ের একত্রে দায়িত্ব পালন করা জরুরি।
রাজধানীর প্রাচীন ও খ্যাতিমান দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ-এ ১৪৪৬-৪৭ হিজরি (২০২৫-২৬ খ্রিস্টাব্দ) শিক্ষাবর্ষের ছাত্র-অভিভাবক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরজাবাদ মাদরাসার মুহতামিম ও কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের সহ-সভাপতি মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া এসব কথা বলেন।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টায় জামিয়া হোসাইনিয়া আরজাবাদ মাদরাসা মিলনায়তনে অভিভাবক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে বিপুলসংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন— অভিভাবক সম্মেলনের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও মাদরাসার মাঝে দৃঢ় সেতুবন্ধন তৈরি করা। শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের এই মহৎ কাজে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
আরো বক্তব্য রাখেন, জামিয়ার নাযেমে তালিমাত ও শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুল কুদ্দুছ তালুকদার, মাওলানা কামাল উদ্দীন, মাওলানা আনওয়ার হোসাইন গোপালগঞ্জী, মাওলানা এমদাদুল্লাহ, মাওলানা আনোয়ার মাহমুদ, মাওলানা আনোয়ার জামশেদ, মাওলানা বশির আহমদ, মাওলানা রহমতে এলাহী আরমান,মুফতি সাইফুদ্দিন ইউসুফ ফাহিম প্রমুখ ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যমান উন্নয়ন, শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন, নৈতিকতা ও আচার-আচরণের উৎকর্ষ এবং জাতির নেতৃত্বের ভার গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তারা জোর দিয়ে বলেন, ইসলামি শরিয়ার আলোকে আদর্শ মানুষ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উভয়ের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী অভিভাবকগণ সন্তানদের উন্নত শিক্ষা ও চরিত্র গঠনে জামিয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা মাদরাসার প্রতি পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং নিজেদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
