ফুজায়েল আহমদ
মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক কাসিমী।
সভাপতি: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ
নির্বাচনি আসন সিলেট-৫ (কানাইঘাট -জকিগঞ্জ)।
নিবন্ধন নং-২৩ এবং দলীয় প্রতীক খেজুর গাছ।
ইতিমধ্যে ২০০৮ সালে দলীয় প্রতীকে একই আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন এবং ৮৬ হাজারের অধিক ভোট পান। এবারো তিনি নিজ দলের একক প্রার্থী। ২০১৮ এর নির্বাচন থেকে তিনি জনগণের কাছে সুপরিচিত।
এই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কোন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশি না হলেও জেলা ও উপজেলা লেভেলের বেশ কিছু প্রার্থী তৎপর আছেন। জমাতেরও জেলা সহসভাপতি হাফিজ আনোয়ার খানকে প্রার্থী শুনা গেলেও উনাকে নিয়ে দলে অভ্যন্তরীণ কোন্দল থাকায় তারা সুবিধা করতে না পেরে এখন কৌশলগত কারণে চায় ইসলামি আরো কিছু প্রার্থী মাঠে আনতে, যাতেকরে উবায়দুল্লাহ ফারুক এর বিজয়ে কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করা যায়। দুইটা দলকে ইতিমধ্যে এই কাজে ব্যবহারও করতে পেরেছে।
তবে, শেষমেশ জমাত বিহীন কোন ইসলামি জোট হলে জমিয়ত সেই জোটের অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিবে এবং জোটের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নিবে। জোট হোক বা না হোক এবার খেজুর গাছ প্রতীকে এই আসনে তিনি নির্বাচন করবেন।
মাওলানা আব্দুল বাছিত আযাদ।
আমীর: খেলাফত মজলিস।
নির্বাচনি আসন হবিগঞ্জ -২ (বানিয়াচং -আজমিরিগঞ্জ)। দলীয় নিবন্ধন নং -৩৮, প্রতীক দেয়ালঘড়ি ।
২০১৮ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন এবং ৪৮ হাজারের মতো ভোট পান। এবারো তিনি নিজ দলের একক প্রার্থী।
তবে খেলাফত মজলিস জামাত ছাড়া জোটে যাবেনা বলে সিদ্ধান্ত নেয়ায় আপাতত এই আসনে তাঁদেরকে বিএনপিও কোন ছাড় বিবে বলে সম্ভাবনা নাই। এই আসনে জমাতের প্রার্থী হলো জেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি, বর্তমান ঢাকা হাতিরঝিল থানা জমাতের আমীর এডভোকেট জিল্লুর রহমান। উভয় মিত্র একত্রিত হলে এখানে জমাত তাদের প্রার্থী বসানোর সম্ভাবনা থাকবে।
এখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড.সাখাওয়াত হোসেন জীবন ইলেকশনের চুড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। এছাড়া বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক, বিএনপির সাংগঠনিক লিডার জনাব তারেক রহমানের বিশ্বস্ত আহমেদ আলী মুকিব ভাইও নির্বাচন করবেন বলে মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন। বিএনপির সাপোর্ট না পেলে নির্বাচনে আমীরে মজলিসের ভোটের হিসাবনিকাশ কি হবে, তা স্বাভাবিক ভাবেই অনুমেয়।
মাওলানা সৈয়দ রেজাউল করিম চর্মোনাই।
আমীর : ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ। দলীয় প্রতীক হাতপাখা ও নিবন্ধন নং-৩৪। নির্বাচনি আসন বরিশাল -৫।
দলটির কোন নেতা এযাবৎ সংসদে যেতে পারেননি। চর্মোনাই পীরের নিজ আসন বরিশাল -৫ আসন হলো বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত। ২০০৮ সাল পর্যন্ত এই আসনে ১০ টি ইলেকশনের মধ্যে ৮বার বিএনপি প্রার্থীরা পাশ করেছিলেন। তন্মধ্যে ৪বার পাশ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট মুজিবুর রহমান সরওয়ার। ২০০৮ সালে শায়খে চর্মোনাই এই আসনে ইলেকশন করে মুজিবুর রহমান সরওয়ার এর কাছে প্রায় লক্ষ ভোটের ব্যবধানে হেরে ৩য় স্থান হয়েছিলেন। আর মাত্র ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে ২য় স্থানে আওয়ামিলীগ প্রার্থী জাহিদ ফারুক ছিলেন। এর আগে ২০০১ সালে জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট করে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে শায়খে চর্মোনাই ২১ হাজার ভোট পেয়েছিলেন।
এবারো এই আসনে বিএনপির আরেকজন প্রভাবশালী ও পরিচিত নেতা ইলেকশনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি হলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব, যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
ইসলামী আন্দোলন বিএনপির কাছথেকে সুবিধা আদায়ের আলামত নাপেয়ে এবার জমাতকে নিয়ে ঐক্য করতে মরিয়া। এই আসনে জমাতের প্রার্থী হলেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। জামাতের সঙ্গে চর্মনাই জোট হলে জমাত এই আসনে তাঁদেরকে ছাড় দিবে। তবে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের সামনে ভোটের হিসাবনিকাশ কি হবে, তা দেখতে রেজাল্ট সীট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে৷
ডাক্তার মো: শফিকুর রহমান।
আমীর: বাংলাদেশ জামাতে ইসলামি।
দলীয় নিবন্ধন ১৪ ও প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। নির্বাচনি আসন ঢাকা-১৫। আদালতের আদেশে দীর্ঘদিন তাদের প্রতীক ব্যান্ড থাকলেও মাস দুয়েক আগে ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস সরকারের আদালত তা ফিরিয়ে দেয়।
দলটি দীর্ঘদিন বিএনপির সঙ্গে জোট থাকলেও বিনপির একটি শক্তিশালী বলয় তা শুরু থেকেই মেনে নিচ্ছিলো না। এখন আওয়ামিলীগ ফেরারি থাকায় বিএনপির কাছেও দলটি গুরুত্বপূর্ণ নয় বলে বিএনপি নেতারা ওপেন বক্তৃতায় জানান দিচ্ছেন। আওয়ামিলীগ ও বিএনপি উভয়দলের বিতাড়িত এই দলটির ভবিষ্যৎ কি হবে, তা নির্ণয় করতে হিমসিম খাচ্ছেন দলের নেতৃবৃন্দ। দলটির আমীর লন্ডনে গিয়ে বিএনপির চীফ লিডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও যখন কোন সাইড পাননাই, তখন চর্মোনাই ইসলামি আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস সহ কয়েকটি দল নিয়ে আলাদা জোট করে দেশে ইসলামপন্থীদের একটি জোয়ারের চেষ্টা করে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। আসলে এই জোয়ারের মূল লক্ষ হলো নিজেদের আত্মরক্ষার কৌশল।
দলটির আমীরের বাড়ি মৌলভীবাজার কুলাউড়া হলেও তিনি দলের দায়িত্ব পালনের জন্য রাজধানীর মিরপুর ১০ নাম্বার সংলগ্ন এলাকায় থাকেন। কাফরুল ও মিরপুর একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসনে ২০১৮ এর ইলেকশনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হয়ে (ঢাকা-১৫ আসন) থেকে মোহনা টেলিভিশন ও মোহনা বাস সার্ভিসের মালিক কামাল আহমদ মজুমদারের কাছে জামানত হারান। ১লক্ষ ৭৫ হাজারের বিপরীত তিনি মাত্র ৩৬ হাজারের মতো ভোট পান। এর আগে নিজ বাড়ি কুলাউড়া আসনেও তিনি ইলেকশন করে ১২ হাজারের মত ভোট পেয়েছিলেন।
এবারো তিনি ঢাকা -১৫ থেকে ইলেকশনের জন্য দলের পক্ষে মনোনীত হন। এই আসনে যুবদলের সাবেক সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মামুন হাসান, দীর্ঘ কারাভোগ কারী নেতা ইসহাক আলী সরকার সহ বিএনপির কমপক্ষে ৫জন হেভিওয়েট নেতা ইলেকনের জন্য দৌড়ঝাঁপে আছেন। এদের থেকে যে কেউ নির্বাচন করলে জমাত আমীরের সংসদে যাওয়া প্রায় অনিশ্চিত। আওয়ামিলীগ বিহীন বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁকে পাশ করতে হলে অবশ্যই বিএনপির সাহায্য লাগবে। স্থানীয় বিএনপি নেতারা এতোটাই প্রভাবশালী যে, যদি বিএনপি জমাত আমীরকে সিগনাল দিয়েদেয়, আর দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির কেউ একজন বিদ্রোহ প্রার্থী হয়ে যায়, তবুও জমাত আমীর পাশ করা কঠিন। তাছাড়া এখানে আওয়ামিলীগের বিরাট ভোটব্যাংক আছে। তাঁরা দেশ উল্টো পাল্টা হলেও জমাত আমীরকে এই আসনে এমপি হতে দিবেনা।
নিরোপায় জমাত আমীর ইদানিং আবারো ঢাকা ছেড়ে বড়লেখা থেকে ইলেকশনের চিন্তা করছেন। এখানেও সুলতান মনছুর ও শাহীন আহমদ সহ দীর্ঘদিনের খেলোয়াড়রা ইলেকশনের মাঠ দখলে রাখছেন। শেষ হিসাবে বিএনপির সাপোর্ট ছাড়াও আওয়ামিলীগহীন বাংলাদেশে জমাতের আমীরের সংসদে যাওয়া এখনো সম্ভবপর নয়।
মাওলানা মামুনুল হক।
আমীর: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।দলীয় নিবন্ধন নং ৩৩, এবং দলীয় প্রতীক রিকশা। নির্বাচনি আসন ঢাকা-১৩। মাওলানা মামুনুল হক একজন নির্যাতিত আলেম হিসাবে দেশবাসীর কাছে পরিচিত। তিনি শায়খুল হাদীস মরহুম আজিজুল হক সাহেবের ছেলে ও বেফাক মহাসচিব আল্লামা মাহফুজুল হক সাহেবের ছোট ভাই। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি।
গ্রামেরবাড়ি মুন্সিগঞ্জ হলেও এবার তিনি ইলেকশনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ঢাকা-১৩ মোহাম্মদপুর আসন থেকে। আসনটি একসময় স্বয়ং খালেদা জিয়া নির্বাচন করে জিতে ছেড়ে দিলে বিএনপির স্পীকার জমিরুদ্দিন সরকার উপনির্বাচনে পাস করেন। আওয়ামীলীগের জাহাঙ্গির কবীর নানকের এলাকা হলেও এলাকার ডন খ্যাত আলহাজ্ব সাদেক খানকে দিয়ে আওয়ামিলীগ ধরে রেখেছিলো এতোদিন।
এখানে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব, ঢাকা উত্তরের সাবেক আহবায়ক জনাব আব্দুস সালাম ইতিমধ্যে ২০১৮তে নির্বাচন করেছেন। তিনি বর্তমানে বর্তমানে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। এছাড়া এই আসনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহসভাপতি আবুল হোসেন, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক সোহলে রহমান সহ বেশ কয়েকজন নেতা দৌড়ঝাঁপে আছেন।
স্থানীয় আওয়ামিলীগের নানক-সাদেক উভয় গ্রুপের সাথে মামুনুল হকের সাপেনেউলে সম্পর্ক! তাই বিএনপির গ্রীনসিগনাল ছাড়া এখানে নির্বাচন করা কঠিনতম কাজ। শেখ হাসিনার নির্যাতনের খন্ড চিত্র ও ঢাকা মহানগর হেফাজতের সচিব হওয়ায় ইতিমধ্যে কিছুটা সিগন্যাল পেলেও জমাতের সঙ্গে জোটের মাখামাখিতে জড়িত হওয়ায় গুড়েবালি পড়ে আছে। শেষমেশ পুরাতন জামিয়া রহমানিয়া, হেফাজতে ইসলাম ও আওয়ামী অত্যাচার বিবেচনায় বিএনপি-র সাপোর্টে তিনি ইলেকশন করা ছাড়া মতিগতি নাই বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী।
আমীর :বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। দলীয় প্রতীক বটগাছ ও নিবন্ধন নং ২০। নির্বাচনি আসন ঢাকা -২। তিনি হাফেজ্জী হুজুরের ওয়ারিস। ২০২৪ এর নির্বাচনে দলটি আওয়ামীলীগের চাপের কাছে মাথানত করে অংশ নিলে বিতর্কিত হয়ে পড়ায় হেফাজতের সকল কমিটি থেকে দলটির সকল নেতাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। ইউনুস সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামীলীগের চিহ্নিত অপরাধী ও মামলার বিবরণ ছাড়া গণহারে গ্রেফতার না করা এবং কিলিংয়ে জড়িত শরীকদের ছাড়া জাতীয়পার্টি সহ মিত্রদের উপর কৌশলগত গ্রেফতারের নির্দেশনা না থাকায় এই দলটিও ২৪’র ইলেকশন করেও বেঁচে যায় এপর্যন্ত।
ইনিং দলটি মাথা খাড়া করলেও যাত্রাপথ নির্ধারনে করছে মারাত্মক ভুল। তথাকথিত ইসলামী জোটে অংশ গ্রহনের নামে নিজেদেরকে রক্ষার কৌশল নিলেও নির্বাচিত সরকারের কাছে সাবেক অপরাধের জন্য কতটুকু নিরাপদ থাকতে পারবে,তা বিবেচনায় যেন ভুল করছে আবারো।
দলটিতে হাফেজ্জী হুজুরের নাম ছাড়া অবশিষ্ট এখন আর কিছুই যেনো নেই। লক্ষনীয়ভাবে বলা যায় দলটি এতোটাই সম্ভাবনাময়ী ছিলো যে, অন্যান্য নিবন্ধিত ইসলামি দল যেখানে কেন্দ্রীয় অফিসের ভাড়া নিয়মিত আদায়ে ব্যর্থ হচ্ছে, সেখানে এই দলটির অফিস লালবাগ কেল্লার পাশে নিজস্ব ভূমিতে দাঁড়িয়ে আছে।
মিয়াজি সাহেব বর্তমানে হাফেজ্জী হুজুরের প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী কামরাঙ্গীরচর মাদরাসার পরিচালক এবং দলের আমীর। বর্তমান স্থায়ী অবস্থান ঢাকা-২ (কামরাঙ্গীরচর-হাজারীভাগ ও সভারের আমিনবাজার এলাকা)’এর কামরাঙ্গীরচরে অবস্থিত। আওয়ামিলীগের সানেক আইনমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলামের ছাতা ছাড়া এই এলাকায় এতোদিন কেউ আশ্রিত হতে পারতো না!
বিএনপির সিনিয়র নেতা ও ঢাকসুর সাবেক ভিপি আমানুল্লাহ আমান ও তরুন প্রভাবশালী নেতা ইরফান ইবনে অমি এই আসনে নির্বাচন করতে কাজ করছেন। ২০১৮তে বিএনপি দলীয় টিলেট আমানুল্লাহ আমানকে না দিয়ে ইরফান অমিকেই দিয়েছিলো। তনে আমান আগেও এই আসন থেকে সংসদে য়ান এবং প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন।
মাওলানা মিয়াজি কি পারবেন আওয়ামিলীগপর বর্তদূর্গখ্যাত আসনটিতে বিএনপির জাতীয় পার্যায়েরএসব নেতাদের সাথে খেলে কোলিয়ে উঠতে!
পুরো লেখা থেকে একটি বিষয় প্রমাণের চেষ্টা করলাম ইসলামী দলগুলোর আমীরদের আসনগুলোতে বিএনপির কেন্দ্রীয় হেভিওয়েট প্রার্থী ভরপুর। শুধুমাত্র সিলেট-৫ আসনে মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কোন হেভিওয়েট নেতা নাই, আছেন জেলাও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অথচ, এই আসনে প্রচুর ধর্মপ্রাণ বিএনপি নেতাকর্মী ও সদস্য সমর্থক রয়েছেন। এরমধ্য সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, আশিক চৌধুরী ও জাকির হোসাইন সহ অনেকে বর্তমানে মাঠে চষে বেড়ালেও দলের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে যাচ্ছেন। কিছুটা ত্যাঁড়ামি করতে দেখা যাচ্ছে চাকসু মামুন ভাইকে। আশাকরি দলের আঙ্গুল বাঁকা হওয়ার আগেই তিনি সোজা হয়ে যাবেন।
তাই নিবন্ধিত ইসলামি দলগুলোর সকল আমীরদের আগে মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এর সংসদে যাওয়ার সম্ভাবনা সর্বাধিক প্রবল থাকায় জামাতের প্ররোচনায় কিছু কিছু ইসলামি দল এখানে একাধিক আলেম প্রার্থী আনতে এবং অনলাইনে কোমরবেঁধে বিরোধিতা করতে দেখা যাচ্ছে।
আশাকরি আল্লাহপাক তাদেরকেও সহীহ সমুজ দান করবেন এবং জমাতার প্ররোচনা থেকে বাঁচতে চেষ্টা করবেন।
