1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৫১ অপরাহ্ন

স্মৃতির পাতায় আব্বাসী হুজুর রহ,

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ মে, ২০২০

রমজান মাস এলে আমাদের গোয়ালন্দের আব্বাসী হুজুর রহ, এর কথা খুব স্মরণ হয়। স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে তাঁর কথা গুলো।
আব্দুল হক আব্বাসী রহ, ছিলেন প্রখ্যাত মুফাচ্ছিরে কুরআন খ্যাতিমান ওয়ায়েজ। তাঁর উপস্হাপনা গুলো ছিল খুবই চমৎকার। সাবলীল ভাষায় বয়ান করতেন। স্রোতাদের হৃদয় ভরে যেত তাঁর কথায়।

এই মাহে রমজানে আব্বাসী হুজুর রহ, বয়ান করতেন। সে বয়ান গুলো আমাদের গোয়ালন্দেরই বিভিন্ন প্রোগ্রামের। সেই কবে তিনি ওয়াজ করেছেন, কিন্তু আজো সে গুলো মনের মধ্যে যেন গেঁথে আছে।

আব্বাসী সাহেব একটা বয়ান করতেন, রোজাদারের দুই খুশি। এব্যাপারে হাদীসের উদ্ধৃতি দিতেন, ” লিছ ছায়েমে ফারহাতান, ফারহাতুন ইনদা ফিতরিহি, ওয়া ফারহাতুন ইনদা লেকায়ে রব্বিহ”
” রোজাদারের দুই খুশি, এক, যখন সে ইফতার করে, দুই, যখন মহান প্রভুর সাথে রোজাদারের সাক্ষাত হবে। এবং রোজাদারকে আল্লাহ নিজ হাতে পুরস্কার দিবেন।




সারাদিন রোজা থেকে যখন মানুষ ইফতার সামনে নিয়ে বসে, তখন তার অন্তরে প্রফুল্লতা চলে আসে। আরেকটা বিষয় হল, ইফতারের সময় রোজাদারের দুআ কবুল হয়। আল্লাহ তায়ালা রোজাদারের গোনাহ মাফ করে দেন।
আব্বাসী হুজুর রহ, আরেকটা ওয়াজ করতেন, কোন রোজাদারকে ইফতার করানো প্রসঙ্গে।
হাদীসে আছে, কেউ যদি কোন রোজাদারকে ইফতার করায়, তাহলে অনুরুপ রোজার ছওয়াব দান করা হয়। তাই বলে সেই রোজাদারকে কোন সওয়াব কম দেওয়া হয় না।

এ প্রসঙ্গে আব্বাসী সাহেব সুন্দর একটা যুক্তি পেশ করতেন, যেটা আমার চিরদিন মনে থাকবে।
তিনি বলতেন, আগেকার দিনে যখন গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ ছিলনা। মানুষকে হারিকেন বা কুপি জ্বালিয়ে রাতের কাজ সারতে হত।
সে সময়ে এত ম্যাচ/ দিয়াশলাই এর আমদানী হয়নি। খুব কম মানুষের বাড়িতে ম্যাচ বা গ্যাস লাইট দেখা গেছে।
তো গ্রামের কোন এক বাড়িতে যদি কেউ একটা কুপি জ্বালাত, তার আশে – পাশের দশ বাড়ির থেকে এসে তাদের কুপি জ্বালিয়ে নিত। এর দ্বারা প্রথম যিনি কুপি জ্বালালেন, তার আগুন কিন্তু কমে যেতনা। বরং তার আগুন বহাল তবিয়তে থাকত।
তদ্রুপ, কেউ যদি কাউকে ইফতার করায়, এর দ্বারা ইফতার করানো ব্যক্তি রোজার ছওয়াব পাবেন, তাই বলে যাকে ইফতার করায়েছেন,তাকে ছওয়াব কম দেওয়া হয়না। সে তার সওয়াব ঠিকই পাবে।




আব্বাসী সাহেব হুজুর এর সাথে আরেক বড় স্মৃতি রয়েছে, যেটা ভোলা যাবেনা কোনদিন। হুজুরের সাথে এক সঙ্গে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছিলাম। আমাদের সাথে হুজুরের ছোট সাহেব জাদা, বর্তমান আমীরুল মিল্লাত , মাওলানা মাহবুবুল হক আব্বাসী সাহেব ও ছিলেন।
একটানা দশদিন হুজুরের সোহবতে। বড্ড ভাল লেগেছিল। অনেক উপকৃত হয়েছিলাম আমরা। অনেক মজার এক পরিবেশ তৈরী হয়েছিল।
মাহে রমজানের শেষ দশকে আল্লাহর পেয়ারা বান্দাদের সোহবতে থাকলে পারলে অনেক কিছু হাসিল করা যায়।
রমজানের শেষ দশক তো জাহান্নাম থেকে মুক্তির। আবার তাতে রয়েছে লাইলাতুল কদর। সেই মোবারক দিন গুলিতে একজন আল্লাহর ওলীর সংস্পর্শে থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল।

এজন্য মাহে রমজান আসলেই আমার প্রিয় আব্বাসী সাহেব হুজুরের কথা বারবার স্মরণ হয়। স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে। তাঁর কথা, তাঁর নসিহত, তাঁর চাল- চলন, যে গুলো থেকে আমরা উপকৃত হয়েছি, তা যেন মনে জেগে ওঠে বারবার।
হে দয়াময় আল্লাহ! আব্বাসী হুজুরকে তুমি ক্ষমা করে দাও। জান্নাতুল ফিরদাউসে তাঁকে সমাসিন কর। আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir