1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:১৯ অপরাহ্ন

তোমাকে ভালোবাসি

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১ জুন, ২০২০

মোহাম্মদ জুনায়েদ শামসি

একটি ফুল বাগানের গল্প।যে বাগানে আমি দশটি বসন্ত পার করেছি। যে বাগানে সমাহিত আছেন শাইখুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রহ।
একটি ফুল বাগান।
গড়ে তুলেছিলেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি মহাপুরুষ,ইসলামি রাজনীতির অনন্য দিকপাল,
পাক পার্লামেন্টারিয়ান সদস্য,শায়খুল ইসলাম মাওলানা মুশাহিদ রহ.। ফুল বাগানে শায়খের আগমন হয়েছিলো হাজারো স্বপ্ন এবং অবিশ্বাস আশা নিয়ে। নিজের মতো করে সাজাবার আকাঙ্খা নিয়ে পথ চলা শুরু করেছিলেন আজ থেকে ষাট দশক পূর্বে। দীর্ঘদিন শ্রম-সাধনা করে একটি সুন্দর ফুল বাগান গড়ে তুলার আসা নিয়ে বিচরণ করেছিলেন জামেয়ার আঙিনায়।




এই জামেয়া-
একটি জামেয়া একটি স্বপ্নের মতো। কর্তাগণ হাজারো শ্রমের বিনিময়ে এটাকে নিজের মতো করে গড়ে তুলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমাদের জামেয়ার ইতিহাস থেকে আমরা পেয়েছি অনেক ত্যাগের কথা। গল্পে গল্পে শুনেছি একটি প্রতিষ্ঠানের উত্থানের ইতিহাস। দাদু-নানুরা এখনও নাতি-পুতিদের সামনে গল্পের মতো তুলে ধরেন প্রিয় প্রতিষ্ঠানের প্রারম্ভের কথা। আমিও শুনেছি আমার নানু ভাইয়ের কাছ থেকে অনেক অজানা গল্প। নানু ভাই গল্পে গল্পে তুলে ধরেছেন আমার কাছে শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রহ’র নিজ হস্তে দিবানিশি পরিশ্রম করে নিজের কাঙ্খিত স্বপ্নের বাস্তবায়নের ইতিহাস। শায়খুল ইসলাম রহ.’র আগমণ ছিলো কানাইঘাট মাদরাসার জন্য আলোকময় বার্তা। তিনি এসেছিলেন উনিশ শতকের পঞ্চাশের দশকে দেশবিখ্যাত একজন আলেমেদীন হিশেবে। উপমহাদেশের প্রতিটি জায়গায় ছিলো তাঁর বীরত্বগাথা গল্পের বাস্তবায়ন। তাঁর আগমণের পরই শুরু হয়েছিলো সুরমা নদীর পাশেই সুজলা-সুফলা পরিবেশে কানাইঘাট মাদরাসায় বুখারী,মুসলিম, তিরমিযীর দরস-তাদরীস। তিনি এসে নবায়ন করেছিলেন এই জামেয়াকে। দরুল উলুম কানাইঘাট নাম দিয়ে শুরু করেছিলেন পথচলা। দারুল উলুম কানাইঘাট এর কাননে শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রহ একত্রিত করেছিলেন ইলমে হাদিসের পাণ্ডিত কতেক উলামা মাশায়েখগনকে। আহরণের তৃষ্ণায় এখানে একত্রিত হয়েছিলেন হাদিসের পিপাসু তুলাবাগণ। এর পরের গল্পে চমকের সাথে আঁতকে ওঠার মতো দৃশ্য যেনো বিদ্যমান। হাদিসের দরস শুরুর সাথে সাথেই যেনো দৃশ্যপট পাল্টে যায়। নানু ভাইয়ের গল্প থেকে জানা-রাতের আঁধারে যেনো শায়খুল ইসলাম কাউকে দরস দিতেন। তাঁর বানানো এ ফুল বাগান থেকেই যেনো তৈরী হয়ে দেশের শ্রেষ্ঠ শায়খুল হাদিসগণ বিভিন্ন অঞ্চলে হাদিসের খেদমত করে যাচ্ছেন।




শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রহ এই জামেয়ার আঙিনায় বিচরণের পর অনেক সমস্যাকে ফেইস করতে হয়েছে। যেমন-বিভিন্ন ফিতনা বিভিন্ন সময়ে এই জামেয়ার অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চাইলেও শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রহ. সু-কৌশলে সব ফিতনার দাঁতবাঙা জবাব দেন। তিনি এই জামেয়ায় আসার পর থেকে এলাকায় নুরানী এক পরিবেশ তৈরী হয়। এলাকার মানুষের মাঝে পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগে। দীনে ইসলামের প্রতি জনসাধারনের আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। কানাইঘাট উপজেলা থেকে বিভিন্নরকমের বিদাত এবং ফিতনা দূরীভূত হয়। আলোকিত একটি সমাজ এবং আদর্শিক এলাকা হিশেবে পরিচিতি অর্জন করে। একাধারে দুই দশক এই জামেয়ার ইহতিমাম এবং শায়খুল হাদিস হিশেবে কাজ করে নিজের স্বপ্নের ফুল বাগান “দারুল উলুম কানাইঘাটকে” গড়ে তুলেছিলেন নিজের মতো করে ইলমে ওহির মারকাজ। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় গড়ে তুলেছিলেন স্বতন্ত্র একটি শিক্ষা বোর্ডও।




আজীবন আজীমতকে আঁকড়ে ধরে এদেশের মানুষকে আহলে সুন্নাহভিত্তিক পরিচালনা করে একটি সুন্দর এবং সু-শৃঙ্খল জনপদ তৈরি করে ৭০ সালে ”আল্লাহুম্মা রাফিকুল আ’লা” জপে জপে
এলাহাল আলামীনের সান্নিধ্য গ্রহণ করেন। মহান আল্লাহ শায়খুল ইসলাম’র কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন। আমিন।
তাঁর নিজ হাতে গড়ে তুলা প্রতিষ্ঠান আমার কাছে একটি ফুল বাগান। প্রতিদিন প্রতিনিয়ত এলাকার ধর্মপ্রাণ উম্মত আজও তাঁর মাকবারার কাছে দাঁড়িয়ে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেয়।
ফুল বাগান ” দারুল উলুম জামেয়া”আমার গল্পের সুচনা। তাঁর বাগানের মধু আহরণের স্বপ্ন আমি যখন ছোট্ট শিশু তখনকার। তাঁর নিজ হাতে তৈরী করা জ্ঞান বৃক্ষ মনীষীদের দরসে সমাসীন হবার ইচ্ছে “পড়া” যখন বুঝতে শিখা তখনকার। আমি আমার স্বপ্নের বাস্তবায়নের আকাঙ্খা নিয়ে এক দশক পূর্বেই আসি আমার হৃদয়ে অঙ্কিত ফুল বাগানে। আমার স্বপ্ন ছিলো আমি এখানে বিচরণ করবো মৌমাছির মতো। ইলমের এই ফুল বাগান থেকে মৌমাছির মতো মধু আহরণ করবো। আমার বিচরণ শুরু। মিযান থেকে শুরু করেছিলাম আজ শেষের দিকে কালা হাদ্দাসানায়। শুরু অদ্ভুত হলেও শেষটা অনেক কষ্টের। মিযান ক্লাসে বসে থাকতাম ছোট্ট এক বালক। হাদিসের দরসের দিকে থাকিয়ে বসতাম। মনে মনে ভাবতাম আমি কবে দরস নেবো ইলমে হাদিসের এক বিরল নক্ষত্র শায়খুল হাদিস আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রহ.’র জামাতা শায়খ লক্ষীপুরী হুজুর দা.বা.এর। আমি কবে ধন্য হবো খলিফায়ে ফেদায়ে মিল্লাত শায়খ আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরি দা.বা.এর সান্নিধ্যে। আমি কবে তাদরিস গ্রহণ করবো শায়খ শামসুদ্দিন দুর্লভপুরি দা.বা.এর কাছ থেকে।




সে আশা,সে স্বপ্ন আমাকে অনেক ভাবাতো। বুকের পাশে একটি স্বপ্ন এবং আশা নিয়ে দিনাতিপাত করতাম। প্রতিনিয়ত আমার ভাবনা ছিলো তাঁদের নিয়েই। ধারাবাহিক আমার পথচলা শুরু হয় ফুল বাগানের আঙিনায়। পরিচিত হই মুশাহিদি কাফেলার সদস্য হিশেবে। মিযান, নাহবেমীর, হেদায়াতুন নাহু থেকে মিশকাত, বুখারি, মুসলিম, তিরমিযী আমি এখান থেকে অর্জন করেছি। এই ফুলবাগানে রয়েছে একঝাঁক ইলমের জগতের বীরত্বগাথা শিক্ষক মণ্ডলীর বিচরণ। যাদের থেকে ওহির শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সালাফ-খালাফের অনুসরণের মাধ্যমে নিজেদের তৈরি করে বের হবেন একদল অতন্দ্র প্রহরী উলামায়ে কেরাম। ইসলাম ও মুসলমানের এই দুর্দিনে আজ এই বাগান অগ্রনী ভুমিকায় উপনীত। সকল তাগুতি শক্তির মোকাবেলা এই বাগান থেকেই পরিচালিত হয়ে আসছে। যুগে যুগে কত নব ফিতনার আভির্বাব হয়েছে। সব ফিতনার সহজ সমাধান মুশাহাদি আঙিনায় গড়ে ওঠা “উলামায়ে কেরাম”। এখনা থেকেই তৈরী হয়েছেন দেশ সেরা শায়খুল হাদিসগণ।




আমার দশটি বসন্ত।
আমি দশটি বসন্ত এখানেই পার করেছি। আমি ছোট্ট শিশু হয়ে এসেছিলাম জামেয়ার আঙিনায়।
আজ আমি দুই দশক পার করা একজন তরুণ। স্বপ্ন দেখেছিলাম আমি ধন্য হবো শায়খুল হাদিস ওলিয়ে কামেল, মজাজে বায়মপুরি আল্লামা মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস লক্ষিপুরী।শায়খুল হাদিস আল্লাম আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরি শায়খুল হাদিস আল্লামা শামসুদ্দিন দুর্লভপুরি’সহ অসংখ্য মুহাদ্দিসীনে হাদিসের দরসে।




আমার স্বপ্নের বাস্তবায়ন দুই হাজার উনিশ এব বিশ সালেই।দুই হাজার উনিশ রমজান মাস।আমার ভিতর আচমকা এক অনূভুতি। রাত-দিন আমার বিচরণ অন্য এক জগতে। আমার স্বপ্নের ঠিকানা আমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমি যোগ দেবো নতুন এক দিগন্তে নতুন এক কাফেলায়। মাহে রমজান মাসে আমার প্রতিটি গল্প ছিলো নববি বাগানকে ঘিরে। ঈদের খুশিতে অংশীদার করে নিলাম নিজের জন্য অপেক্ষিত স্বপ্নের আনন্দকে। রমজান মাসকে বিদায় জানানোর পরই আসলো আমার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। যেখানে আমি এবং আমার সাথি সঙ্গীরা অপেক্ষা করছি হাদিসের দরসে ধন্য হবার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ঘোষণা আসলো। মঞ্চে আসীন হাদিসে নববীর শিক্ষকবৃন্দ। পড়া শুরু হলো বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম” ওয়াবিহি কালা হাদ্দাসানা”। আমার এবং আমাদের অপেক্ষিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন যেনো নিমিষেই হয়ে গেলো।
জীবনের যে সময়ে আমি অর্থ-সম্পদ লোভ-লালসা কি? আমি জানিনি। ঠিক তখনই পৃথিবীর সকল চাকচিক্য নিত্য-নতুন আধুনিকতাকে ত্যাগ করে আমি এসেছিলাম এই জামেয়ার বুকে। আমার মা-বাবা সহ সকলই আমাকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে এ জামেয়ার আঙিনায় পাঠিয়েছিলেন। আমিও মিযান থেকে বুখারী স্বপ্ন দেখেছি নবিজি স. চরিত্রের নমুনা আদর্শের মাপকাঠি সাহাবায়ে কেরামের জীবনের আদর্শ
এবং সালাফ-খালাফের পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজেকে গড়ে তুলবো বাবা মা এবং প্রিয় আসাতিযায়ে কেরাম এর স্বপ্নের মতো করে।
স্বপ্নের শুরু মিযান থেকে স্বপ্নের শেষ বুখারি মুসলিমে। শেষের সময়ে যখন আমরা কালা কালা হাদ্দাসানা পড়তে শুরু করি! তখন আমাদের শিক্ষকমণ্ডলি ছাত্রদের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার “আল-মুশাহিদ ছাত্র সংসদ” আমাদের উপঢৌকন হিসেবে দান করেন। আমরা কাজের কাজি হয়ে গড়ে উঠার লোভ নিয়ে হাদিসের মনজাগানো দরসের সাথে নিজেদের উৎসর্গ করি আল-মুশাহিদ ছাত্র সংসদের জন্য। আমুছা হলো জামিয়ার ছাত্রদের প্রিয় সংগঠন। এর মাধ্যমে পরিচালিত হয় ছাত্রদের সকল ইনতেজাম।ছাত্রদের সমস্যা সমাধানের জন্য আমুছা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন আঙিকে আমুছাকে সাজাবার চেষ্টা করি। অনেকটা পরিবর্তন সকলের সামনে বিদ্যমান।




শেষের দিকে যাত্রা – হৃদয়ের আঙিনায় গেথে রাখা ভালোবাসার ঠিকানা ভালোলাগার আশ্রয়স্থল “জামিয়া দারুল উলূম কানাইঘাট ” আমার স্বপ্ন সারতি। বছরের শুরু আমাদের আন্দোলিত করেছিলো। স্বপ্নিল সেশন আমাদের হৃদয়ে অন্য এক অনুভূতির সৃষ্টি করেছিলো। আসাতিযাদের সান্নিধ্য আমাদেরকে জামিয়ার প্রতি আরো দুর্বল করে ছিলো। নববী বাগানের প্রতি আমাদের হৃদয়সম ভালোবাসা এবং ভালোলাগা তৈরি করেছিলো। আমাদের জামিয়ার বার্ষিক ইজলাস সামনে। আমাদের সময় শেষের দিকে। রমজান পরেই আমাদের সমাবর্তন অনুষ্ঠান।
মাস দুয়েক থাকবো এই জামিয়ায়। ঘুরে বেড়াবো পুরো ক্যাম্পাস। বরকতময় সময় অতিবাহিত করবো। শায়খদের সান্নিধ্য আমাদের আত্মশুদ্ধির পাথেয় হিসেবে কাজ করবে। বিদায়ের আচমকা এক অনূভূতি বিদায়ীদের হৃদয়ে আঁকা থাকে।
এতো সহযে এতো কম সময়ে আমাদের স্বপ্নের সেশন আমাদের কাছ থেকে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেবে তা কল্পনার বাহিরে। শেষ সময়ে জামিয়ার প্রতি ভালোবাসা আমার অপরিসীম।




জমেয়া- আমি ছিলাম নিরক্ষর, আমি প্রকৃত শিক্ষা জামেয়া দারুল উলুমের আঙিনা থেকে অর্জন করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে নিজের নাম লিখতে পারা এই জামেয়ার দান। এক দশক আগে আমি কথা বলতে পারতামনা দশ জন মানুষের সামনে,নিজেকে অসহায় নিশ্চুপ হয়ে থাকতে হতো। কিন্ত আজ আমি এই জামেয়ার শিক্ষার্থী হবার কারণে জামেয়ার আলোয় আলোকিত হয়ে আমি কথা বলতে পারি হাজারো মানুষের সামনে।
আমি লিখতে জানতাম না। জামেয়া আমাকে নিখুঁতভাবে লিখতে শিখিয়েছে। মানবতার মুক্তির সনদ যে গ্রন্থ আইয়্যামে জাহিলিয়াতের পথ থেকে মানুষকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলো পবিত্র মহাগ্রন্থ আল কুরআনের তাফসির তাহকিক, নবি সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘যার ভালোবাসা যদি হৃদয়ে না থাকে, সন্তান সন্ততি পুরো পৃথিবী থেকে অধিক তাহলে আমার ঈমান অপূর্ণ থাকবে। সে নবি সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র লক্ষাধিক হাদিস থেকে অনেক হাদিসখানা রিসার্চ করার যোগ্যতা আমাকে দশ বসন্ত নিজের বুকে আগলে রেখে তৈরি করে দিয়েছে প্রিয় জামেয়া। ফিকহ- ইমাম আবু হানিফা সহ সকল ইমামদের মতাতমতসহ জীবনের প্রায় সকল সমস্যার সমাধান ফিকাহ বিভাগে বিদ্যমান। সে ফিকাহ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করার সুযোগ করে দিয়েছে এই জামেয়া। নাহু-সরফ বালাগাত-ফাসাহাত উসুলে হাদিস -উসুলে তাফসির মানতিক-ইনশাসহ অনেক বিভাগ সম্পর্কে অবগত হওয়ার সুযোগে এই জামেয়া আমাকে করে দিয়েছে।




আকাবির-আসলাফ যারা দীনের তরে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। সপে দিয়েছেন পৃথিবীর বাদশাহি জীবন। নিজের পরিবার পরিজন সবরকিছু ত্যাগ করে ইলমে ওহির পিছনে নিজেকে সোপর্দ করেছিলেন। শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রহ থেকে আল্লামা কাসিম নানুতুভী। মুহাদ্দিসে দেহলভি থেকে ইমাম বুখারি।
বুখারি থেকে আবু হানিফা। আবু হানিফা থেকে নবি সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত সকল পূর্বপুরুষদের জীবনি পড়ে নিজেকে তৈরি করার পথ দেখিয়েছে প্রিয় জামেয়া।
আমি যা পারি,আমি যা করি,আমার সব অর্জন এই জামেয়ার বোকে এসে অর্জিত করেছি।




এই সব অর্জনের পিছনের শক্তি আদর্শের প্রতীক মুশাহিদি কাফেলার গর্বিত সদস্য মাদানী চেতনার ফেরিওয়ালা পিতৃতুল্য আসাতিযায়ে কেরাম এর শ্রম এবং সাধনা৷ যারা অর্থ লোভ দুনিয়ার ভালোবাসা ত্যাগ করে মানুষ গড়ার কারিগর হিশেবে কর্মরত। তাদের সকলের পিছনের সঞ্চয় শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রহ।

জামেয়ার বুকে আমার দশটি বসন্ত। জামেয়ার আঙিনায় আমার হাজারো স্বপ্ন। জামেয়ার জন্য আজকের আমি। আমি ভালোবাসি তোমাকে, হে প্রিয় জামেয়া। আমার ভালোবাসা অন্ততকাল থাকবে অবিরত। আমি আমার জামেয়াকে ভালোবাসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir