1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৫১ অপরাহ্ন

প্রাজ্ঞ মুফতির তত্ত্বাবধানে অনুশীলন  ছাড়া ফতওয়া প্রদান কি জায়েয?

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ জুন, ২০২০

মাওলানা আবদুল আজীজ মাহবুব::

খাতিমাতুল ফুকাহা ওয়াল মুহাক্কীকীন ইমাম ইবনে আবিদীন শামী রাহিমাহুল্লাহ(মৃত্যু:১২৫২হি.) তাঁর জগদ্বিখ্যাত রিসালা “শরহু উকুদি রসমিল মুফতি” র মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন,

“আমি ‘ফাতাওয়াল আল্লামা ইবনে হাজার’ এ দেখেছি, তাঁকে(ইবনে হাজার) ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে ব্যক্তি কোনো মুফতির তত্ত্বাবধান ব্যতীত ব্যক্তিগতভাবে ফিকহের কিতাব অধ্যয়ন করে এবং কিতাব অধ্যয়নের উপর ভিত্তি করেই ফতোয়া প্রদান করে তার জন্য এমনটি করা জায়েয আছে কি না?




জবাবে হাফেয রাহিমাহুল্লাহ বললেন, “এমন লোকের জন্য কোনো অবস্থাতেই ফতোয়া প্রদান জায়েয নয়। কারণ সে(এ ব্যাপারে) অজ্ঞ ও সাধারণ লোক। কী বলবে তা জানে না। এমনকি যারা নির্ভরযোগ্য মুফতিদের থেকে ইলম অর্জন করেছে তাদের জন্যও এক দুই কিতাব দেখে ফতোয়া প্রদান জায়েয নয়। নববী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন দশ কিতাব দেখেও জায়েয নয়। কারণ দশ বিশ কিতাব কখনো ঐক্যবদ্ধভাবে মাযহাবের কোনো দুর্বল মত বর্ণনা করে ফেলে; যেটির অনুসরণ জায়েয নয়। পক্ষান্তরে প্রাজ্ঞ ব্যক্তি যিনি যোগ্য ব্যক্তি থেকে ইলম অর্জন করেছেন, এবং এ সম্পর্কে তার মানসিক দক্ষতা অর্জন হয়েছে,যদ্দারা বিশুদ্ধ মতকে অন্যান্য(দুর্বল) মত থেকে পার্থক্য করতে পারেন, গ্রহণযোগ্য পন্থায় মাসআলা মাসাইল এবং এ সম্পর্কীয় বিষয়াদি সম্পর্কে জানেন, তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি লোকদেরকে ফতোয়া প্রদান করতে পারেন এবং আল্লাহ্ ও তাঁর বান্দার মধ্যকার মধ্যস্থ হতে পারেন।”

(শরহু উকুদি রসমিল মুফতি, পৃষ্ঠা:৭৫)




পুনশ্চ: ভার্চুয়াল জগতে যে কারো ফতোয়া প্রদানের এই ভয়ানক ও পীড়াদায়ক প্রবণতা দেখে রীতিমতো আশ্চর্য হই! কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে এর উত্তর প্রদানের জন্য সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ে! কে কার আগে উত্তর দিবে এটা নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়! আসল কথা হলো, মাসআলা বা ফতোয়া জিজ্ঞাসা করার জায়গা কি ফেসবুক?ফতোয়া তো জিজ্ঞাসা করতে হয় প্রাজ্ঞ মুফতীর শরণাপন্ন হয়ে, অথবা তিনি যদি ভার্চুয়াল জগতে থাকেন তাহলে তাঁর সাথে ইনবক্সে একান্তে জিজ্ঞাসা করতে হয়।




রাসুল সা. এর নিম্নোক্ত হাদিসটিতে শেষ যুগের এই মহাসত্য বাস্তবতা ফুটে উঠেছে, রাসুল সা. বলেছেন,

إن الله لا يقبض العلم انتزاعا ينتزعه من العباد ولكن يقبض العلم يقبض العلماء حتى إذا لم يبق عالما اتخذ الناس رؤوسا جهالا فأفتوا بغير علم فضلوا واضلوا

“আল্লাহ্ তাআলা জোরপূর্বক বান্দাদের থেকে ইলম উঠিয়ে নিবেন না। বরং তিনি আলেমদেরকে মৃত্যুদানের মাধ্যমে ইলম উঠিয়ে নিবেন। এমনকি যখন কোনো আলেম বাকি রাখবেন না, তখন লোকেরা মূর্খদেরকে নেতা বানাবে।আর তারা(মূর্খরা) ইলম ছাড়া ফতোয়া প্রদান করবে।যদ্দারা তারা নিজেও পথভ্রষ্ট হবে অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে।

(সহীহ বুখারি, ইলম অধ্যায়)

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir