1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:০৫ অপরাহ্ন

নামাযই সকল সমস্যার সমাধান

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০

একবার হযরত উমর (রাঃ)- এর যামানায় মদীনায় খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিল।

প্রচন্ড খরতাপে মদীনার জমিন চৌচির হয়ে গেল। দীর্ঘ দিন বৃষ্টি বন্ধ থাকার কারনে শস্য উৎপন্ন হচ্ছে না। ফলে মানুষ অনাহারে-অর্ধহারে মরতে লাগল।

এ অবস্হা দেখে হযরত উমর (রাঃ) দিশাহারা হয়ে গেলেন এবং উপায়ান্তর না দেখে মিসরের গভর্নর হযরত আমর বিন আস (রাঃ)- এর নিকট পত্র লিখলেন। কারন, মিসর তখন খাদ্য-শস্যে ভরপুর ছিল।




আমর বিন আস(রাঃ) পত্রের উত্তরে লিখলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমি মদীনাবাসীর সাহায্যের জন্য খাদ্য-শস্য ভর্তি এতগুলো উট মদীনায় পাঠাইতেছি যে, উটের বহরের প্রথমটি থাকবে মদীনাতে আর শেষটি থাকবে মিশরের মধ্যে।

যেমন কথা তেমন কাজ। ওয়াদা মত তিনি সাহায্য পাঠিয়ে দিলেন এবং হযরত উমর (রাঃ) লঙ্গরখানা খুলে দিলেন। মানুষ আসছে যাচ্ছে খাচ্ছে। এইভাবে কিছু দিন চলতে লাগল। এক সময় সব খাবার ফুরিয়ে গেল।

কিন্তুু মদীনাবাসীর অভাব দূর হলো না। হযরত উমর (রাঃ) কিছুই ভেবে উঠতে পারছিলেন না। তাই মসজিদে নববীর এক কোনে বসে কি যেন চিন্তা করতে লাগলেন।

হঠাৎ,হযরত যিয়াদ (রাঃ) হাঁপাতে হাঁপাতে উমর (রাঃ)-নিকট আসলেন এবং বলতে লাগলেন, আমিরুল মুমিনীন! আমি গত রাতে স্বপ্ন দেখেছি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে বলেছেন, হে যিয়াদ! উমরের কি হল! আমি তো উমরকে বুদ্ধিমান মনে করতাম।



তক্ষনে উমর (রাঃ)-এর অন্তর্দৃষ্টি খুলে গেল এবং ভাবতে লাগলেন নিশ্চয়ই আমার থেকে সুন্নতের খেলাফ কিছু ঘটতেছে। তাই তিনি দেরী না করে সকলকে মসজিদে নববীতে একত্রিত করলেন এবং সকলকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি যে রাষ্ট্র পরিচালনা করতেছি তাতে সুন্নতের খেলাফ কিছু হচ্ছে কিনা?

হঠাৎ, একজন লোক দাড়িয়ে বলল, আমিরুল মু’মিনীন! আমার একটি প্রশ্ন!
উমর (রাঃ) বললেন, নির্ধ্বিধায় বলুন!
লোকটি বলল, আপনি হলেন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাহাবী। আপনারা দোআ করলে কবুল হয়। অতঃএব, মদীনাতে যখন খাদ্যের সংকট দেখা দিল, তখন তো আপনি আল্লাহর কাছে সাহায্যে চাইতে পারতেন। কিন্তুু আপনি আল্লাহর কাছে সাহায্যে না চেয়ে মাখলুখের কাছে কেন সাহায্যে চাইলেন! আমার মনে হয় ইহাই সুন্নতের খেলাফ হয়েছে।

উমর (রাঃ)এর চোখ দিয়ে পানি ছেড়ে দিলেন। উনার আর বুঝতে বাকি রইল না যে, সমস্যার সমধান কোন পথে। তাই তিনি দেরি না করে সকলকে ইস্তিস্কার নামাযে দাড় করিয়ে দিলেন। মসজিদে নববীতে কান্নার রোল পড়ে গেল। বান্দার চাইতে দেরী, আল্লাহর দিতে দেরী নাই। সাথে সাথে মদীনার আকাশে মেঘ গর্জে উঠল। মেঘমালা ছুটাছুটি করতে লাগল এবং মেঘ মালা থেকে আওয়াজ আসতে লাগলঃ- আমীরুল মু’মিনীন উমর (রাঃ) কে সু-সংবাদ দিন, আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্যে চলে এসেছে।




অতঃপর এক পশলা বৃষ্টি হল। খাদ্য শস্য উৎপন্ন হতে লাগল! কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠল এবং মদীনার সোনালী যুগ ফিরে এলো!

প্রিয় ভাই ও বোনেরা!!
আসুন আমরা আল্লাহর বিধান গুলে মেনে নবী করীম (সাঃ)এর সুন্নতগুলো পালন করি!আল্লাহ তা’আলা আমাদের সকলকে তাওফিক দান করেন!

—আমীন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir