1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন

মাও. আহমদ হোসাইন আতহর চতুলী রহ. এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০

আলহাজ্ব মাওলানা আহমদ হোসাইন আতহর চতুলী রহ.’র জীবন ও কর্ম
মাওলানা ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলী

আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাতের একজন অনুসরণীয় বুযুর্গ, বর্তমান যুগের উলামায়ে কেরামের জন্য আকাবির আসলাফের মূর্তপ্রতীক, বহু উত্তমগুণের অধিকারী, ইসলামী জ্ঞান- বিজ্ঞানের একজন রক্ষক, যুগের উজ্জল নক্ষত্র, বৃহত্তর জৈন্তার গৌরব, বিশিষ্ট কবি, আলহাজ্ব হযরত মাও. আহমদ হোসাইন আতহর চতুলী রহ. আজ আমাদের মাঝে নেই।




তিনি হঠাৎ করেই চলে গেলেন। সবাইকে হতবুদ্ধি, নির্বাক ও শোকসন্তপ্ত করে চলে গেলেন। যেন ঘরবাড়ি শূন্য করেই চলে গেলেন। তিনি ২০ জিলক্বদ ১৪৩৩- হিজরি, ৭ই অক্টোবর ২০১২ ঈসায়ী, ২২ আশ্বিন ১৪১৯ বাংলা রবিবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় ৮০ বৎসর বয়সে কানাইঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চতুল সরুফৌদ নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে মহান প্রভূর সান্নিধ্যে চলে গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।




হযরত মাও. আহমদ হোসাইন আতহর রহ.’র মৃত্যু সংবাদ শুধু কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জকে মর্মাহত করেনি বরং সমগ্র সিলেটকে শোকাহত, ব্যথিত ও চিন্তিত করেছে।




হযরত মাওলানা আহমদ হোসাইন আতহর রহ. বিভিন্ন মাহফিলে, সমাজ সংস্কারমূলক স্বরচিত বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তি করে কত পথভ্রষ্ট লোকজনকে সঠিক পথের দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে অনেকেই হেদায়তপ্রাপ্ত হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। আজ হযরত আতহরী রহ. আমাদের মাঝে নেই কিন্তু রয়েছে তার অনুপম জীবনাদর্শ। তার পদাংক অনুসরণ করলে আমরা ইনশাআল্লাহ সঠিক পথের দিক নির্দেশনা পাব। হযরত আতহরী রহ. যিনি সমগ্র জীবন ইসলামের খেদমত এবং প্রচার প্রসারে কাটিয়েছেন। এই মহান মনীষির জীবন চরিত্র সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে চাই।




নামঃ আলহাজ্ব হযরত মাও. আহমদ হোসাইন আতহর চতুলী রহ..
পিতাঃ আলহাজ্ব মাও. মুহা. মোবারক আলী রহ.।
জন্ম : সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার বড়চতুল ইউনিয়নে অবস্থিত সরুফৌদ গ্রামে। ১৩৪২ বাংলা মোতাবিক ১৯৩৬ – ইংরেজি সনে এক ঐতিহ্যবাহী দ্বীনদার সুশিক্ষিত ও অভিজাত খান্দানে জন্মগ্রহণ করেন।




প্রাথমিক শিক্ষাঃ তিনি গ্রামের সাবাহী মক্তব, চতুল দরগাহপুর এম. ভি স্কুল ও চতুল ঈদগাহ মাদরাসায় লেখাপড়া করে ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম দারুল হাদিস কানাইঘাট মাদরাসায় আলিয়া পাঞ্জমে ভর্তি হন। অতঃপর ১৩৬৬ বাংলায় উচ্চ শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্য দারুল উলুম দেওবন্দ গিয়ে ভর্তি হন। দু’ বছর যেতে না যেতেই ভারত বিভক্তির সময় সরকার কর্তৃক বহিরাগত ছাত্রদের উপর নির্যাতন – নিপীড়নের স্টীম রোলার শুরু হলে হযরত আতহরী রহ. বাধ্য হয়ে আসামের শিবচরে চলে আসেন।




কর্মজীবনঃ ভারতে নিতাই পুকুরী মসজিদে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের তত্বাবধানে প্রথমে একটি ইবতেদায়ী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে দু’বছর তা’লীমী খেদমত আঞ্জাম দিয়ে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। অতঃপর এলাকার ৭০টি মক্তব নিয়ে আঞ্জুমানে মঈনুল ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সর্বসম্মতিক্রমে মরহুম মাওলানা উক্ত সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তখন তিনি চতুল মাতলাউল উলূম কওমি মাদরাসার মুহতামিম পদে এক বছর যাবতকাল অধিষ্ঠিত ছিলেন। ১৩৯৩ বাংলায় এলাকার জনগণের অনুরোধে ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ইসলামিয়া চতুল ঈদগাহ মাদরাসার মুহতামিম নিযুক্ত হন। হযরত আতহর রহ. ১৪১৫ বাংলা পর্যন্ত দীর্ঘ ২২ বৎসর চতুল ঈদগাহ মাদরাসার এক জন সফল ও সার্থক মুহতামিম হিসাবে ঐ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। পরে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে মাদরাসা থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করেন।




লিখনীঃ তিনি তার ক্ষুরধার লিখনীর মাধ্যমে আজীবন সর্ববিধ দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ করে গেছেন। মরহুম মাওলানা ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনের জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নিবেদিত প্রাণ এক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।




পদবী ও দায়িত্বশীলতাঃ জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সহ সভাপতি, মুশাহিদিয়া ক্বিরাআত প্রশিক্ষণ বোর্ড বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক, নাদিয়াতুল কুরআন বোর্ড – কানাইঘাট এর সভাপতি (স্থাপিত – ১৩৮৭), জমিয়তে উলামা ৫নং বড় চতুল ইউনিয়ন শাখা ও আল মুশাহিদ উলামা সংহতি পরিষদ চতুল এর সভাপতি ছিলেন।
হযরত আতহরী রহ. একজন প্রজ্ঞাবান দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। রাজনৈতিক ময়দানে একজন বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, লিখনীর জগতে একজন কলম সৈনিক ছিলেন।




শিশু – কিশোরদের প্রতি ছিল তার আগাধ ভালবাসা। তাই তিনি শিশুদের প্রাথমিক ইসলামী শিক্ষার উন্নয়নে আমরণ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন। তার পরিচয় এতটুকুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, যুগ যুগ ধরে তিনি ছিলেন এদেশের ধর্মপ্রাণ, দেশপ্রেমিক মানুষ ও সর্বস্তরের জ্ঞানী আলেম সমাজের একজন প্রধান প্রতিনিধি।। তিনি তাদের ভাই ছিলেন, তিনি তাদের দুঃখ ও দ্রোহের কণ্ঠ ছিলেন। তিনি তাদের নেতা ও অভিভাবক ছিলেন।।




আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রহ.’র তৎকালীন শত্রুরা যখন তার বিরুদ্ধে গর্জে উঠত, তখন হুংকার দিয়ে প্রতিবাদী কবিতা রচনা করে তাদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দানে সোচ্চার চিলেন। ইসলামের বিরোধী কোন নেতা বা সংগঠনের আবির্ভাব হলে তৎক্ষনাৎ তাদের বিরুদ্ধে কবিতা লিখে তার জবাব দানে তিনি ছিলেন সদা জাগ্রত।
সাংগঠনিক তৎপরতাঃ হযরত আতহরী রহ. সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রেও একজন সুদক্ষ সংগঠক ছিলেন। ২০০২ সালে পূর্ব সিলেট এদারা ভিত্তিক মুশাহিদিয়া ক্বিরাআত প্রশিক্ষণ বোর্ড বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হলে তাকে উক্ত বোর্ডের সাধারণ সভায় উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতেই সাধারণ সম্পাদক মনোনিত করা হয়। তাঁর সৎ পরামর্শ, যথাযথ দায়িত্ব পালন, ইত্যাদি স্বচক্ষে অবলোকন করেছি।




রাজনৈতিক জীবনঃ তিনি যেমন ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, সফল মুহতামিম, ক্ষুরধার কলম সৈনিক; প্রতিবাদি কবিতা লেখক, তেমনি রাজনৈতিক ময়দানে, স্বাধীনতা সংগ্রামের কিংবদন্তি সিপাহসালার জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি, কুতবুল আলম আল্লামা হোসাইন আহমদ মাদানী রহ.’র সুযোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে ভূমিকা রাখতেন। আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রহ. আল্লামা আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী, জননেতা এড. মোহাম্মদ আলী যখনই জমিয়তের পক্ষে নির্বাচন করেছেন মরহুম মাওলানা জান- মাল দিয়ে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।




আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রহ. যখন ১৯৭০ সালে খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন, তখন মরহুম মাও. আতহর রহ. নির্বাচনী প্রচারে –
মুসলিম আওরে দলে দলে # খেজুর গাছের তলে
ইসলামী আইন করব এখন # আমরা সবে মিলে
কবিতা লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেন, যা নির্বাচনী প্রচারে আকাশচুম্বি মাত্রা যুগ করে।
সুন্নতী লেবাসঃ মরহুম মাওলানা সুন্নতি ও পরিচ্ছন্ন লেবাস পরিধানকে খুবই গুরুত্ব দিতেন। বিশেষ করে শেগাফবন্দ কুরতা পরিধান করা তার মাদরাসায় বাধ্যতামূল করেছিলেন। তাছাড়া, মুশাহিদিয়া বোর্ডের সনদ ও খামিস জামাতের ক্বারী সাহেবান যাতে বাধ্যতামূলক শেগাফবন্দ কুরতা পরিধান করেন, তাও রেজুলেশনের মাধ্যমে নিশ্চিত করেন। মরহুম মাওলানা তাঁর রচিত কাব্যগ্রস্থ ‘‘গুলশানে আহমদ’’ গ্রন্থের ১২৯ নং পাতায় ‘‘শেগাফবন্দ কুরতা’’ নামক কবিতা রচনা করে সুন্নাহের প্রতি পরম শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতার পরিচয় দেন।




দানশীলতাঃ দানশীলতার দিক দিয়ে হযরত আতহরী রহ. ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। ফকির মিসকিন, অসহায়দের তিনি মুক্ত হস্তে দান খয়রাত করতেন। কোন গরীব হযরতের কাছে সাহায্যের জন্য আসলে কখনো খালি হাতে তাকে ফেরত দিতেন না। এলাকার বিধবা নারী, পিতা – মাতাহারা সন্তান, গরীব- দুঃখীদেরকে প্রায় শাড়ি, লুঙ্গি, নগদ টাকা ইত্যাদি দিয়ে সাহায্য করতেন, অনেক গরীব হিন্দুও তার বদান্যতার কারণে ইন্তেকালের পরে বিলাপ করতে দেখা গেছে।




পরিবার ও পারিবারিক জীবনঃ পারিবারিক জীবনে তিনি দুই ভাইয়ের ১ম। তাঁ ছোট ভাই মো. মাহমুদ হোসাইন সাহেব দাওয়াতে তাবলীগের কাজে নিয়োজিত আছেন। মরহুম রহ.’র ৩ ছেলে ও ৩ মেয়ে রেখে গেছেন। ছেলে: (১) মাও. আব্দুল্লাহ বাহার (২) মাও. আব্দুর রহমান আরিফ (৩) মাও. হামিদুল্লাহ আস্কর, বর্তমানে ঢাকার একটি মাদরাসায় সুনামের সাথে শিক্ষকতা করছেন।




মেয়ে: (১) নাসিমা বেগম (২) নাজমা বেগম (৩) শামিমা বেগম। প্রথম মেয়ের শাদী হয় হযরত মাও. ইব্রাহীম চতুলী রহ.’র ২য় সাহেবযাদা মাও. হা. সুলাইমান ’র সাথে। দ্বিতীয় জামাতা হন মাও. শুয়াইবুর রহমান সরুফৌদ, তৃতীয় জামাত হলেন মাও. হিলাল আহমদ, সাহেবজাদায়ে হযরত শায়খে আব্দুল্লাহ হরিপুরী রহ.।
সাধারণ জীবনে স্বভাব চরিত্রঃ হাস্যোজ্বল চেহারার অধিকারী হযরত আতহরী রহ.’র একটি বৈশিষ্ট্য ছিল যে, কথাবার্তার সময় হযরতের মুখে সর্বদা হাসি ফুটত। কোমল ভদ্র অমায়িক মেজাজ বিশিষ্ট ছিলেন। তিনির আচরণে কখনো রাগের আলামত থাকত না। নরম আওয়াজে কথা বলতেন। নিজের তালাবাদের অত্যন্ত- স্নেহ মমতা করতেন। তদ্রুপ বড়দের প্রতি সম্মানেরও কোন কমতি ছিল না তার চরিত্রে।




ইন্তেকালঃ হযরত মাওলানা আহমদ হোসাইন আতরহী রহ. দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন জটিল রোগে, আক্রান্ত ছিলেন। ইন্তেকালের কিছুদিন পূর্ব পর্যন্ত, ব্যক্তিগত আমল, লেখালেখি ইত্যাদির মধ্যে কোন ত্রুটি পরিলক্ষিত হয় নি। এমনকি ইন্তেকালের পূর্ব দিন পর্যন্ত বাড়ির কিশোর ছেলে- মেয়েদেরকে হযরত দ্বীনি তা’লীম দান করেছেন। অবশেষে ইন্তেকালের দিন সকালে হঠাৎ শরীর খারাপ হয়ে যায় এবং বিকাল ৪টার সময় ইহকাল ত্যাগ করে মাওলায়ে হাক্বীকির সান্নিধ্যে চলে যান। ইন্তেকালের সংবাদ চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লে হযরতের বাড়িতে ভক্ত অনুরক্তদের ভিড় লেগে যায়। ঐদিন রাত ৯টার সময় হযরতের দীর্ঘ ২২ বছরের বিচরণস্থল চতুল ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার ছাত্র জনতা, উলামা, পীর মাশাইখদের উপস্থিতিতে কানাইঘাট দারুল উলূম দারুল হাদিস মাদরাসার শায়খুল হাদিস ও শিক্ষাসচিব, খলিফায়ে ফেদায়ে মিল্লাত রহ. (হযরত রহ. এর বেয়াই) আল্লামা আলিমুদ্দীন দূর্লভপুরী দা.বা. তাঁর নামাযে জানাযার ইমামতি করেন। অতঃপর পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মরহুম হযরত মাওলানাকে তাঁর গ্রামের বাড়ি চতুল সরুফৌদ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তথায় আল-ফালাহ মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। মহান আল্লাহ তা’লা হযরতকে জান্নাতুল ফিরদাউস এর উচ্চ মক্বামে সমাসীন করুন।




হযরতের বিশাল জানাযাঃ স্মরণকালের এ বৃহত্তম জানাযায় অংশগ্রহণ করে হরিপুর মাদরাসার শায়খুল হাদীস আল্লামা ইউসুফ সাহেব শ্যামপুরী, লাফনাউট মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালিক শায়খে চাক্তা, শায়খুল হাদীস মাওলানা মুফতি নুরুল হক জকিগঞ্জী, পূর্ব সিলেট মাদরাসা বোর্ডের পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা শামসুদ্দিন দূর্লভপুরী, হযরত মাওলানা হাবীবুর রহমান মুহতামিম খরিলহাট মাদরাসা, হরিপুর বাজার মাদরাসার মুহতামিম সাহেবজাদা মাওলানা হিলাল আহমদ, জামেয়া সোবহানীঘাট মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিকুল হক আমকুনী, জননেতা এডভোকেট মোহাম্মদ আলী, শায়খুল হাদীস মাওলানা শফিকুল হক- মুহতামিম সুরইঘাট মাদরাসা, শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা শায়খ আহমদ আলী (চিল্লার সাহেব) ও মাওলানা নজরুল ইসলাম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir