1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

জিলহজের ফযিলত ও তাৎপর্য

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০

 

জিলহজের ফযিলত ও তাৎপর্য || মাও.জাবির আহমাদ

হিজরি বছরের শেষ মাস পবিত্র জিলহজ। জিলহজ অত্যন্ত তাৎপর্যবহ, পুণ্যময় ও অধিক সম্মানিত মাস। চারটি মাসকে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা পবিত্র ও সম্মানিত করেছেন।তার মধ্যে জিলহজ অন্যতম।





পবিত্র কুরআনে কারিমে আল্লাহ তায়ালা বলছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর বিধান ও গণনার মাস ১২টি, আসমানগুলো ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত’। সুরা তাওবা।
হাদিসে এসেছে, ওই চারটি সম্মানিত মাস হলো জিলকদ, জিলহজ, মহররম ও রজব। জিলহজকে হজের মাস বলা হয়। এ মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখ ছয় দিনই হজের মূল কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। জিলহজের মধ্যে প্রথম ১০ দিন পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠতম দিন।





প্রথম ১০ দিনের মর্যাদা, মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব বুঝাতে গিয়ে আল্লাহ তায়ালা এ দিনগুলোর কসম পর্যন্ত করেছেন। দিনগুলোর ইবাদত ও আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর কাছে জিলহজের প্রথম দশকের নেক আমলের চেয়ে অন্য কোনো দিনের আমলই উত্তম নয়। সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম এ দশকের আমলের চেয়ে উত্তম নয়? তিনি বললেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ-সংগ্রামও এর চেয়ে উত্তম নয়; তবে ওই ব্যক্তি ছাড়া, যে তার সর্বস্ব নিয়ে জিহাদে অংশগ্রহণ করল এবং কিছুই নিয়ে ফিরে এলো না’। (সহিহ বুখারি)




এজন্য জিলহজের চাঁদ ওঠার পর থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত দিনে রোজা পালন করা, রাতে বেশি বেশি ইবাদতের গুরুত্ব অত্যধিক। নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, তাসবিহ, দরুদ পাঠ ও তাওবা-ইসতিগফার, অতিরিক্ত দোয়া করার গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ মাসের প্রথম ১০ দিন রোজা রাখা অন্যতম নেক আমল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তাই এ দিনগুলোর নফল রোজা রাখা খুবই সাওয়াবের কাজ। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জিলহজের ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে অন্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশি প্রিয়, প্রতিটি দিনের রোজা এক বছরের রোজার মতো আর প্রতি রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের মতো’। (সুনানে তিরমিজি)




জিলহজের ৯ তারিখকে আরাফার দিন বলা হয়। আরাফার দিন রোজা রাখার ফজিলত রয়েছে; যা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে প্রমাণিত। আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আশা করি যে তা বিগত এক বছর ও আগামী এক বছরের পাপের কাফফারা হিসেবে গ্রহণ করা হবে’। (সহিহ মুসলিম)




সহিহ মুসলিমে জিলহজের প্রথম দশকের অন্য একটি আমলের কথা বলা হয়েছে- এ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকে চুল, গোঁফ, নখ, বগল ও অন্যান্য স্থানের লোম বা পশম না কাটা। হযরত উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জিলহজের চাঁদ দেখে এবং কুরবানির ইচ্ছা করে, সে যতক্ষণ কোরবানি না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত যেন চুল বা নখ না কাটে’।

জিলহজ মাসের অন্যতম


আমল হলো, ৯ তারিখ ফজরের নামাজ থেকে ১৩ তারিখের আসরের নামাজ পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ২৩ ওয়াক্ত নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা। তাকবিরে তাশরিক হলো, ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ’। ‘ফরজ নামাজের পর প্রত্যেকের ওপর অন্তত একবার করে তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা কর্তব্য’। (ফাতাওয়ায়ে শামি)


আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে জিলহজ মাসের আমল করার তৌফিক দান করুন। আমাদের সব ইবাদত কবুল করুন। আমিন।

লেখক:- শিক্ষক,মাদানিয়া বুগইলকান্দি মাদরাসা,গোয়াইনঘাট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir