1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
  9. zahidnahid68@gmail.com : Hafiz Zahid : Hafiz Zahid
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

কিছু না বলা কথা

মুহাম্মদ জুনায়েদ শামসি
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

১.আমারা হেফাজতের আন্দোলনে যাইনি, তাই এখন শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রাহি.-এর পক্ষে বা সংশ্লিষ্ট কিছু লিখতে, বলতে পারবো না?
জবাব-
আমরা কেনো যাইনি?
দুই হাজার তেরো সাল। তখন আমি এতো কিছু বুঝি না। কিন্তু মিছিল মিটিংয়ে সামনের সারিতে থাকতাম। আমি তখন খুবই ছোটো। তবে দেশের খবরা-খবর প্রায়ই রাখতাম। মাযহাবি অরাজনৈতিক সংগঠন জমিয়তে উলামার সাথে জড়িত ছিলাম, এখনো আছি। কাজ করি টুকটাক। আমার সংগঠন যখনই ইসলাম বিরোধী কোনো ইস্যু তৈরি হয় ; তখনই রাজপথে বিভিন্ন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজ ব্যানারে। লেজুড়বিহীন রাজনীতিই ছিলো আমাদের সংগঠনের উদ্দেশ্য।
দুইহাজার তেরো সাল। বাংলার রাজপথ সরগরম বিভিন্ন ইস্যুতে। নাস্তিক্যবাদীরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের নামে শাহবাগ থেকে। শাহবাগ হয়ে ওঠে নাস্তিকতার প্রজনন কেন্দ্র। তৈরি হয় গনজাগরণ মঞ্চ। একত্রিত হয় অনলাইন-অফলাইনে থাকা নাস্তিকগুলো। বামপন্থিরা সুযোগ কাজে লাগায়। তারা আরম্ভ করে ইসলাম বিরোধী কার্যক্রম। মুসলমানদের পোশাক-পরিচ্ছেদ পর্যন্ত তাদের কাছে নিরাপদ ছিলো না। তাদের আবির্ভাব ঘঠে বিভিন্ন পন্থায়। তারা সাপোর্ট পান মুক্তমনা নাস্তিকদেরও। ব্লগাররাও ব্লগে ইসলাম লেখালেখি শুরু করে। শাহবাগের সৃষ্ট নাস্তিকতা বিরোধী আন্দোলন চারিদিকে শুরু হয়। একরকম দেশের প্রতিটি প্রান্থের মানুষ ইমান-ইসলাম হেফাজতের লক্ষ্যে বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে প্রস্তুতি নিলো। জনগণের নাস্তিক বিরোধী আন্দোলনে শতভাগ অংশ গ্রহণ কওমি অঙনের নেতৃত্বে থাকা আলিমদের ভেতরও একটা আশার সৃষ্টি হয়। তারা বারবার বসেন এবং একপর্যায়ে দেশের সর্ববৃহত প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম হাটহাজারী গমন করেন। শায়খুল ইসলাম শাহ আহমদ শফি এবং মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরিসহ তদানিন্তন উলামাদের সাথে আলোচনা করেন। একপর্যায়ে হাটহাজারীর হেফাজত ইসলামের ব্যানারে শায়খুল ইসলাম শাহ আহমদ শফি হাফি.-কে সামনে রেখে উলামা সম্মেলনের ডাক দেন। এ থেকে শুরু হয় হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে আন্দোলন।
সারা বাঙলার মানুষ সাড়া দিলেও সিলেট থেকে আমরা হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করিনি। আমাদের সাথে সিলেট জেলা হেফজত বা কেন্দ্রীয়ভাবেও কিছু যোগাযোগ করা হয়েছিলো। কিন্তু আমরা যারা জমিয়তে উলামার সাথে জড়িত ; আমাদের আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা আলিম উদ্দীন দুর্লভপুরির পরিষ্ককার বক্তব্য ছিলো,’শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রাহি. হলেন ভারত উপমহাদেশের কিংবদন্তি শায়খুল ইসলাম আল্লামা হুসাইন আহমদ মাদানি রাহি.-এর খলিফা। আমাদের সকলের মাথার তাজ,চুখের মনি, সম্মানের সর্বোচ্চ আসনে তাঁর অবস্থান। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে শায়খুল ইসলাম রাহি.-এর আশপাশের লোকগুলো আমাদের না। হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনকে জামাত শিবিরসহ বিভিন্ন গুষ্ঠি ভিন্ন খাতে নেবার চেষ্টা করছে। কেউ কেউ হেফাজতের উপর ভার করে ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করছে। হেফাজতের উচিত হলো তাদের তেরো দফা দাবির সাথে “জামাত শিবির তথা নবি-সাহবা বিদ্বেষীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক” দাবিটি যোগ করা ।
অতএব, হেফাজতের দাবির সাথে আমার পূর্ণ সমর্থন আছে, তবে তাদের আন্দোলনের সিস্টেম আমার মনঃপুত হচ্ছে না। সুতরাং আমরাও আন্দোলনে  যাবো কিন্তু আমরা আমাদের নিজস্ব ব্যানারে যাবো। আমরা কারো কাছে বিক্রি হবো না।’

সিলেটবাসিকে নিয়ে আমরা নাস্তিক বিরোধী আন্দোলন করেছিলাম।আমাদেরও মনে হয়েছিল –
শায়খুল ইসলাম আহমদ শফি রাহি. এবং শায়খ জুনায়েদ বাবুনগরী হাফি-এর ইখলাসিয়াত এবং জনপ্রিয়তা ব্যবহার করার জন্য ২০১৩ সালে মাঠে ময়দানে একদল দালাল ব্যস্ত ছিলো। তাঁরা উভয়ই খালিছ নিয়তে নবির রক্তমাখা দীনের হেফাজতের জন্য ময়দানে নেমেছিলেন। লংমার্চ অবরোধের মতো কঠিন কর্মসূচি তাদের থেকে ঘোষণা করানো হয়।
তাঁরা ছিলেন মুখলিস আল্লাহ ওয়ালা। সেদিন রাতের আঁধারে নিরস্ত্র মুসলিম এবং তাওহিদি জনতাকে শাপলায় অবস্থান নিতে বাধ্য করে তখনকার দালাল প্রকৃতির বিক্রিত মানসিকতা সম্পন্ন কতেক মোনাফিক বাটপারের গোষ্ঠীরা। মে মাসের পাঁচ তারিখ ২০১৩ সালে শাপলা ট্রাজিডের ইতিহাস জানতে পড়ুন রশিদ জামিল ভাইয়ের লিখিত ‘বিশ্বাসের বহুবচন’। জানতে পারবেন কীভাবে কলে-কৌশলে সেদিন আমাদের মুখলিস আল্লাহ ওয়ালা বুজুর্গদের ব্যবহার করা হয়েছিলো ক্ষমতা দখলের জন্য। নামে- বে নামে নিউজ করে হেফাজতে ইসলামকে বেকায়দায় ফেলেছিলো শাপলার বিশ্বাসঘাতকরা।আমরা সেদিন চিৎকার দিয়েছিলাম দূর থেকে। শায়খুল ইসলাম আহমদ শফি রাহি.-সহ বুজুর্গরা ব্যবহার হচ্ছেন জামাত-বিএনপির কৌশলে। বীরত্বের সাথে আমরা বলেছিলাম। আমাদেরকে তখন ‘দালাল দালাল’ বলে সোশ্যাল মিডিয়া ভারি করে তুলেছিলো তখনকার সুশীলরা। আমরা সহ্য করেছিলাম। আজ কিন্তু তারাই স্বীকার করে যে, তখনকার সময়ে হেফাজত বিক্রি হয়ে ছিলো।
তাহলে এখনকার সুশীলদের কাছে প্রশ্ন করা যাক,আমরা কখন হেফাজত বিরোধী ছিলাম? আমরাতো যা অনুমান করেছি পরবর্তী সময়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, একদল হেফাজত বিক্রি করেছিলো। তাহলে কেনো শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রাহি. -এর প্রতিপক্ষ হিসেবে আমাদের দাঁড় করানো হয়? আমরাতো হেফাজতে ইসলামের খয়েরখাহি ছিলাম।
শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রাহি. কারো একার নয়; তিনি সবার। তাঁর পক্ষে কে কথা বলবে, আর কে বলবে না লাইসেন্স তোমার কাছে কে দিলো পণ্ডিত মশাই?

২.

২০১৩ সাল এবং ২০২০ সাল।

ক.
শায়খুল ইসলাম শাহ আহমদ শফি রাহি. তেরো সালে যখন ব্যবহার হলেন,শাপলা চত্বরে যখন নিজ স্বার্থে আহমদ শফি রাহি.- এর তারিফে হায়দরি কণ্ঠে ভাষণ করলেন, তখন তিনি কি যুবক ছিলেন? তখন তিনি কি বুঝতে পারছিলেন কাণ্ডারিগণ  আমাকে মাঠে নামিয়ে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করছে? অবশ্যই জবাবে সবাই বলবেন – শায়খুল ইসলাম আহমদ শফি হাফি. তখনও বৃদ্ধ ছিলেন এখনও বৃদ্ধ আছেন। তখন একদল মানুষ- বৃদ্ধ মানুষটির অনুসরণ এবং আরেকদল তাকে ব্যবহার করেছিলো। কেউ কথা বলতো না। আমরা যারা তখন হেফাজত ব্যবহার হচ্ছে বলে স্লোগান দিয়েছিলাম, অশালীন ভাষা নয় সংযত ভাষায় বলার পরও একদল আমাদের আওয়ামী লীগের দালাল বানিয়ে দিয়েছিলো। বড়ই দুঃখের কথা!

খ.
বর্তমানে অতীত হওয়া কালো অধ্যায়ে শায়খ আহমদ শফি রাহি..-কে নিয়ে যতকথা আমাদের শুনতে হয়ছে,এসব কথার পিছনে একটাকই কারণ, তার ছেলে আনাস মাদানিসহ অনেকই একত্রিত হয়ে তাকে দিয়ে যাচ্ছেতাই করাচ্ছিলেন। এতে হাফিয মাওলানা শায়খ জুনায়েদ বাবুনগরী হাফি. মাজলুম অবস্থায় বিভিন্নভাবে নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছিলেন । বড়ই আফসুসের কথা,বাবুনগরী হাফি.-এর পক্ষে অবস্থান নিয়ে আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় কওমির কিং যাঁকে পুঁজি করে কওমি অর্থাৎ আপনাদের শত অর্জন তাঁকে বিভিন্নভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছিলো একদল কলম সন্ত্রাসিরা,আমরা তখন টুকটাক প্রতিবাদ করেছি।
আমি একথা মানছি যে, শায়খ জুনায়েদ বাবুনগরী মাজলুম। এভাবে প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একজন বাবুনগরী আছেন। কিন্তু শায়খুল ইসলাম আহমদ শফি রাহি. ২০১৩ সালে যেভাবে বয়োবৃদ্ধ হওয়ার কারণে দালালগুলো ব্যবহার করছে, গত হওয়া শেষ সময়েও কতিপয় দালাল কওমির লেবাস পরিহিত শায়খুল ইসলাম আহমদ শফি রাহি.-কে ব্যবহার করেছিলো। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ইতিহাস তলব করলে কত মাজলুমের খোঁজ পাবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অতএব বয়োবৃদ্ধ শায়খুল ইসলাম আহমদ শফি রাহি. আমাদের সকলের মুরব্বি ছিলেন। অন্ততপক্ষে তাঁকে নিয়ে কথা না বললেই চলতো।
গ.
যারা আন্দোলন করেছিলো অনেকে তাঁদের আন্দোলন যৌক্তিক বলে দাবি করেছেন, আবার অনেকে অযৌক্তিক বলে মনে করেছেন। যৌক্তিক,অযৌক্তিক-এর হিসাব আপনাদের হাতে থাক। আমার মনে একটা প্রশ্ন আন্দোলন কার বিরুদ্ধে ছিলো? আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে কতিপয় প্রশ্নের জবাব আসলে বোঝা যাবে আন্দোলন কার বিরুদ্ধে ছিলো।

১.শায়খুল ইসলাম আহমদ শফি রাহ. এর খেলাফতের উপর প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলো কারা?

২.তাঁর বয়স তিনি বলেছিলে এক মাহফিলে একশো তিন বছর, তাঁর কথাকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য চেষ্টা করেছিলো কারা?

৩.নাসরুল বারী শরাহ দেখে বোখারি শরিফের দরস দেন এ কথাটা দিয়ে শায়খুল ইসলাম রাহ.কে কারা অযোগ্য প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলো?

৪.তিনি মা’যুর নন। তিনি নিজ থেকে সব পরিচালনা করছেন এই কথা প্রমান করার চেষ্টা কারা করেছিলো?

৫.আওয়ামী লীগের দালাল ট্যাগ দিয়েছিলো কারা?

৬.তাঁর রোম বা হাটহাজারী মাদরাসার কক্ষ ভাঙচুর করেছিলো কারা?

৭.শায়খুল ইসলাম শাহ আহমদ শফি রাহ. কে ডাল ব্যবহার করে নিজেদের পুলিশি হামলা থেকে বাঁচার চেষ্টা করেছিলো কারা?

৮.পুলিশের গুলির সামনে শায়খুল ইসলাম রাহ. কে বসানোর হুমকি দিয়েছিলো কারা?

৯.তাঁকে মাদরাসায় বন্দী করে চিকিৎসাবিহীন রেখেছিলো কারা?

১০.কারা দাবি করেছিলো শুধু আনাসকে বহিস্কার করলে হবেনা বরং শায়খুল ইসলাম শাহ আহমদ শফি রাহি.কেও অবসর গ্রহন করতে হবে?
আরো কতোকিছু রয়েছে। আপাতত দশটা প্রশ্নই থাক।
যদি তারা আন্দোলনকারী হয়, যারা উপরিউক্ত প্রশ্নের মিসদাক; তাহলে পরিস্কার- আপনারা বোঝে নিন কার বিরুদ্ধে আন্দোলন ছিলো। আর যদি তাারা আন্দোলনকারী না হয়, যারা উপরিউক্ত প্রশ্নের মিসদাক ; তাহলে পরিস্কার আন্দোলন ছিলো দুর্নীতি এবং অবৈধ ক্ষমতার বিরুদ্ধে।
তারা যারাই হোক!
শেষ সময়ে একজন বয়োবৃদ্ধ আলেম যিনি সারাজীবন কওমির জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছেন, তার জন্য আপনাদের কি একটুও মায়া হইলোনা? কতো কষ্ট দিলেন। সবই আল্লাহর ইচ্ছা।
নিজের মনের কথাগুলো বললাম। কারো মনঃপুত না হতে পারে। কষ্ট হয় যখন কৌমির সন্তানেরা দূরে সরিয়ে দেয় আমাদের। ট্যাগ দেয় আমাদের, আমরা হেফাজত বিরোধী ছিলাম। তাদেরকে শেষতক একটা কথা বলি! আমরা পৃথক একটি আদর্শ নিয়ে বেড়ে উঠেছি; যে আদর্শে দালালির সুযোগ নেই। আমরা আপনাদের স্বীকৃতিতেও যাইনি? আমাদের আদর্শগুরু শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রাহ.। তিনি আমাদের জন্য পৃথক সংবিধান তৈরী করে গেছেন। আমরা তাঁর অনুসরণ অনুকরণ করেই চলি। যখন জামাত-আওয়ামী লীগ জোট ছিলো ৯৬ সালে, তখনও আমাদের আকাবির জামাত বিরোধী ছিলেন । আজ যখন জামাত বিএনপি জোট হয়ে আছে, এখনো আমরা জামাত বিরোধী। আমরা শুধু জামাত শিবির নয়, সকল ফিরাকে বাতিলের বাতুলতার বিরোধিতা, খণ্ডন করে আসছি, ইনশাআল্লাহ করেই যাবো।
আমাদের শায়খ তাঁর সংবিধানে লিখে গেছেন-
সবধরণের নোংরা রাজনীতি ত্যাগ করে শুধু মাত্র সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ-ই হলো আমাদের মূল দায়িত্ব।
মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে হেফাজত করুক। আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir