1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
  9. zahidnahid68@gmail.com : Hafiz Zahid : Hafiz Zahid
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১০:২১ অপরাহ্ন

অযাচিত কিছু প্রশ্নের জবাব || মুহাম্মদ জুনায়েদ শামসি

জুনায়েদ শামসী
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

 

শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রাহ.ছিলেন সমকালীন মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শায়খুল হাদিস। তিনি শায়খুল ইসলাম আল্লামা হুসাইন আহমদ মাদানি রাহি.-এর অন্যতম শাগিরদ। তাঁর পরিচয় রচিত কিতাবগুলোই বহন করে। ইমাম বুখারি রাহি.-এর সাথে ছিলো অসাধারণ সম্পর্ক শায়খের। ছাত্রদের জিজ্ঞাসার জবাবে শায়খুল ইসলাম আল্লামা হুসাইন আহমদ মাদানি বলেছিলেন- আমার পরে দারুল উলুম দেওবন্দের শায়াখুল হাদিস হওযার যোগ্যতা রাখেন যারা তাঁদের অন্যতম সিলেটের মুশাহিদ। তিনি পাকিস্তান পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন তৎকালীন সময়ে। তার পরিচয় দেবো অন্য একসময়।
তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাগার জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দারুল হাদিস কানাইঘাট। এখানে দীর্ঘদিন নবি সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস বিহি কালা হাদ্দাসানার দরস দিয়েছেন। বিহি কালা হাদ্দাসানা পড়াতে পড়াতে মাওলার সান্নিধ্য গ্রহণ করেন। তাঁর কবর মাদরাসা প্রাঙনে অবস্থিত। তিনি শায়িত আছেন মাদরাসার সম্মুখে। তাঁর মৃত্যু পরবর্তী সময়ে কবর থেকে প্রথমবারের মতো সুঘ্রাণ প্রবাহিত হয়। মৃত্যুর তিনমাস পরবর্তী দ্বিতীয়বারের মতো সুবাতাস প্রবাহিত হয়। সে সময় আমার জন্মই হয়নি। আমি জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে শুনেছি তাঁর জগতপ্রসিদ্ধ শাগিরদের কাছ থেকে। তাঁদের বর্ণনা অনুযায়ী তৎকালীন সময়ে কবর থেকে এতো অধিক সুবাতাস প্রবাহিত হয়েছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না। তৃতীয়বার ২০১২ সালে এবং চতুর্থবার ২০২০ সালে অর্থাৎ গতকাল শায়খের কবর থেকে সুঘ্রাণ প্রবাহিত হয়েছে; যার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী আমি। ২০১২ সালে তিনদিন অবধি তাঁর কবর থেকে সুঘ্রাণ প্রবাহিত হয়। ২০২০ সালে গতকাল মাগরিব হতে সুগন্ধি সুবাতাস প্রবাহিত হচ্ছে।
শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রাহ. ছিলেন একজন মুজতাহিদ। তিনি জীবদ্দশায় সকল বাতিলের মুখোশ উন্মোচন বা জনগনকে সচেতন করার কাজ করে গেছেন। তাঁরই অন্যতম শাগিরদ শায়খ আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরি হাফিজাহুল্লাহ-এর বিবরণ মতে তিনি দীনের জন্য কাজ করেছেন এবং সর্বপ্রকার বাতিলের বাতুলতা থেকে সমাজকে রক্ষা করার জন্য জীবনভর কাজ করে গেছেন। তাঁর মিশনই ছিলো সর্বপ্রকার নোংরা রাজনীতির করালাগ্রাস থেকে উম্মাহকে মুক্ত রেখে শুধুমাত্র সৎকাজের আদেশ অসৎ কাজের নিষেধ করা। হযরতের জীবদ্দশায় আবির্ভাব হওয়া বাতিল মতোবাদের অন্যতম হলো- জামাতে ইসলামি। যারা নবি-সাহবাদের সমালোচনা করে এবং অসংখ্য আকিদা পোষণ করে, যা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাতের পরিপন্থি। তাঁর সময়ে নতুন ফিতনা মওদুদি জামাতের মোকাবেলা এবং তাদের এই ইমান বিধ্বংসী ফিতনা থেকে আপামর জনগণের ইমানের হেফাজত করার কাজ তিনি সামনে থেকে করে গেছেন। এবং ভবিষ্যতেও এ ফিতনা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার জন্য তাঁরই হাতে গড়া অসংখ্য শাগিরদ রেখে গেছেন। যারা আজও তাঁর শিখানো আদর্শের উপর থেকে মানুষকে সহিহ দীনের দাওয়াত দিয়ে যাচ্ছেন। সুতরাং জামাত ইসলামী তখন থেকেই তার উপর অসন্তোষ হয়ে বসে আছে। তারা চেয়েছিলো মওদুদি তৈরি মতবাদ বিস্তার করতে ; কিন্তু পারেনি শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রাহ.-এর মতো জগদ্বিখ্যাত আলিমদের কারণে। এতেই তারা ক্ষিপ্ত তাঁর এবং এরকম আলেমদের প্রতি। তারা সবসময় তাঁর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে আসছে, যা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট। হযরতের জীবদ্দশায় অনেক অযাচিত কথা বলেছিল এবং অনেক কষ্ট দিয়েছিলো। অতএব, প্রথমত তাদের কোনো কথায় বিচলিত হবার নয়; কারণ তারা সুযোগে বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ করছে।
কথা এটাই, গতকাল থেকে দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। মিডিয়ায় শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরি রাহ.-এর কবর থেকে সুগন্ধি, সুবাতাস প্রবাহিত হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে অযাচিত কিছু মন্তব্য আমাদের ওয়ালে এসেছে। আমি এতে বিচলিত বা মোটেও শংকিত নই। কারণ অযাচিত মন্তব্যকারী অধিকাংশের পরিচয় নিয়ে জেনেছি, ওরা প্রায় জামাতে ইসলামির লোক। যারা মন্তব্য করছে, তারাতো আগেও করেছিলো। শুধু শায়খকে নয়, উলামায়ে আহলে হক-কে তাদের সহ্য না হওয়ার গল্প লিখতে গেলে সারদিন লিখতে হবে। ওই মওদুদির লোকগুলোই আলিয়া মাঠে ফেদায়ে মিল্লাতের পেন্ডাল জালিয়ে দিয়েছিলো, হাটহাজারী মাদরাসায় হামলা করেছিলো, শায়খ দুর্লভপুরির উপরও হামলা করেছিলো। এতেই স্পষ্ট একথার স্বীকৃতি দেওয়া যায়, ওরা জন্মগত আহলে হক বিরোধী। কথা এটাই যে, তারা প্রতিহিংসা থেকে সবগুলো মন্তব্য প্রসব করেছে। যাদের ইমান সহিহ নয় বলে পুরো বিশ্বের আহলে হক উলামায়ে কেরাম ফতোয়া প্রদান করেছেন, যারা উলামায়ে আহলে হক-কে ধ্বংস করে মওদুদির নতুন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার জন্য যুগযুগ ধরে চেষ্ট করে যাচ্ছে; তারাতো করবেই একজন শায়খুল ইসলাম রাহ.-এর কারামতের সমালোচনা।
ক.
আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা হলো কারামাতুল আওলিয়াউ হাক্কুন। পৃথিবীতে নবি সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরে যেহেতু নবিদের আগমন বন্ধ, সেজন্য দীনের হেফাজতের জন্য একদল থাকবে যাদের কথা নবি সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- আলিমগণ হলেন নবিগণের উত্তরাধিকারী। আলিমগণের মধ্যে অনেকই তাসাউফ-তাযকিয়ার ময়দানে এগিয়ে থাকেন যাদেরকে আমরা ওলি বলি। তাদের ফযিলত অসংখ্য অগণিত। সীমাহীণ বর্ণনা রয়েছে।
আওলিয়ায়ে কেরামদের থেকে কিছু কিছু কারামত জাহির হয়; যা সত্য হিসেবে স্বীকৃত। এভাবেই একটি কারামত হলো- কবর থেকে সুগ্রাণ নির্গত হওয়া।
সাহাবায়ে কেরাম থেকে বর্তমান পর্যন্ত অনেকের কবর থেকে সুগন্ধি সুবাতাস প্রবাহিত হয়েছে।
শ্রদ্ধেয় প্রিয় ভাই মাওলানা উবায়দুল্লাহ আসআদ দা.বা. একটি পোষ্ট করেছেন যেখানে এরকম যেসকল বুজুর্গদের কবর থেকে সুগন্ধি সুবাতাস প্রবাহিত হয়েছে তাদের বিবরণ রয়েছে। আমি এখান থেকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করছি!
১. হজরত সাদ বিন মুআজ রাদিয়াল্লাহু আনহু। (তাবকাতে ইবনে সাদ, আলবিদায়া ওয়ান নিহায়া)
২. ইমাম বুখারি রাহিমাহুল্লাহ। ( সিয়ারু আলামিন নুবালা, তাবাকাতুশ শাফিয়্যাতিল কুবরা)
৩. আবদুল্লাহ বিন গালিব হাররানি রাহিমাহুল্লাহ।
৪. ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহুর কবরের পাশের একটি কবর থেকে।
৫. মুফতিয়ে আজম মুফতি ফয়জুল্লাহ সাহেব রাহিমাহুল্লাহ।
এখানেই প্রমাণ হয়, এরকম সুগন্ধি সুবাতাস প্রবাহিত হওয়া নতুন কোনো কারামত নয়। একটি প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়, নবি সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কবর থেকে আতরের ঘ্রাণ প্রবাহিত হয় না আবার আওলিয়াদের কবর থেকে ঘ্রাণ প্রবাহিত হয় কেনো? কপালপোড়া গর্দবের দল! বেজাল ইমান নিয়ে রওজায়ে আতহারের পাশে গেলে ঘ্রাণ পাবে কোথায়? ইমান সহিহ করে যা, দেখবে প্রতিদিন প্রতিমূহুর্তে রওয়জায়ে আতহার থেকে ঘ্রাণ প্রবাহিত হচ্ছে।
আমাদের একজন জাতি ভাই, জানামতে সুরইঘাট বাড়ী লিখছেন অনেক কিছু। শেষে গিয়ে বলেছেন- তার সংশয় হয়? প্রথমে বলি যারা এসব বকওয়াস করছেন কাউকে বোঝননোর কোনো ইচ্ছা নেই। যারা ঘ্রাণ পাবে তারা নিজেই অনুধাবন করবে। যারা পাবে না; তারা একটু দূরে থাকবে। জাতি ভাইয়ের জবাবে বলবো অনেক বড় বুজুর্গ আপনি, সংশয় বা সন্দেহের যে মাসআলা আছে সেটা কী মুতালাআ করেছেন।
কথা হলো- শায়খ লক্ষীপুরী হাফিজাহুল্লাহ নিজে উপস্থিত হয়ে সুঘ্রাণ এবং সুবাতাস অনুধাবন করে দীর্ঘক্ষণ ক্রন্দরত অবস্থায় মোনাজাত করেছিলেন। আপনার কথা অনুযায়ী শায়খ লক্ষীপুরী হাফিজাহুল্লাহ-কে আপনার বিশ্বাস হয়না। আল্লাহর কসম করে বলি; আমি নিজেও সুবাতাস সুঘ্রাণ অনুধাবন করেছি বারবার। আপনার সংশয়ে আমাদের কোনো যায় আসে না। সংশয় করতে থাকুন। পারলে একটু নরমাল ডিম সিদ্ধ করে খাবেন। হয়তো একটু বোঝ শক্তি বৃদ্ধি পাবে।
খ.
আর কথিত জামাতের যে সকল ভাইরা অযাচিত মত প্রকাশ করছেন তাদের ইজমালি জবাগুলো সকলকে জেনে রাখা দরকার।
এক. মাওলানা আব্দুর রাব কাসেমি ছিলেন দারুল উলুম-এর প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম শায়খ বায়মপুরি রাহ. নয়? প্রশ্নের জবাব সংক্ষেপে দেই পরে বিস্তারিত দেবো। মাওলানা আব্দুর রব কাসেমি দুইবারের বহিস্কৃত কানাইঘাট মাদরাসা থেকে। একবার ৪৭ সালে বায়মপুরি আগমনের পূর্বে তাকেসহ পাঁচজন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়। আবার পরবর্তী সময়ে তিনি মাদরাসার বিরোধিতা করতে গেলে কমিটির সদস্যরা তাকে দ্বিতীয়বার বহিস্কার করেন। এরপর বড়বন্দের জমিদাতা হাজি সাহেব লিফলেট তৈরি করে তিনি কমিটিকে সঙ্গে নিয়ে দারুল উলুম কানাইঘাট কে স্থায়ীভাবে শায়খুল ইসলাম রাহি.-এর হাতে তুলে দেন। প্রমাণসহ লেখবো খুব শিগগিরই।
গ.
মাজার করে ব্যবসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে কথিতরা লিখেছেন!
শুনুন ভাই।।
গতকাল সারারাত আমি ছিলাম দায়িত্বে। একটাকাও চাঁদা কারো কাছ থেকে উত্তোলন করা হয়নি। আমি চ্যালেঞ্জ করছি মওদুদি আকৃতির কথিত মিথ্যাচরিদের কাছে, মাজার না করার জন্যই গতকাল বাঁশের বেড়ী তৈরি করা হয়েছে। যেনো এখান থেকে মাটি নিতে না পারে। শায়খ লক্ষীপুরী সকলের সামনে স্পষ্ট বলেছেন- কবরে টাকা দেওয়া হারাম এবং মাঠি নেওয়া হারাম। সুতরাং কেউ অযথা মাঠি নেবার চেষ্টা করবেন না। এছাড়া আমাদের শায়খ ক্রন্দনরত অবস্থায় বারবার বলেছেন- হে আল্লাহ যদি মুনাসিব মনে করো তাহলে সুবাতাস বন্ধ করে দাও,কারণ- বিদাত তৈরি হবার আশংকা রয়েছে। আর যদি তুমি মুনাসিব মনে করো, তাহলে অব্যাহত রাখো। হে আল্লাহ! এখানে যেনো কোনো ধরনের বিদাত চালু না হয়। লক্ষাধিক মুসাল্লী, আমিন বলেছে এক সঙ্গে। কপালপোড়াদের বলবো- তোমরা অযথা সমালোচনা করেই যাবে, কিন্তু আমাদের কোনো ক্ষতি হবেনা। এছাড়া গতকাল মেহমানদারীর সকল খরচ বহন করেছেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, বড়চতুল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান,কানাইঘাট বণিক সমিতির সভাপতি। তাদের সহযোগিতায় গতকাল সারারাত দূরদূরান্ত থেকে আগত সকলের মেহমানদারীর ইনতিজাম করা হয়। কোথাও কোনো ধরনের টাকা উত্তোলনের কাজ হয়নি, আর আমরা বেঁচে থাকতে হবেওনা ইনশাআল্লাহ৷ হায়নার দল অযথা বিভ্রান্তি না ছড়ালে পারতে।।। তোমাদের নিয়ে আফসোস হয়,শুধুই আফসোস।
আজকের শেষকথা!
দারুল উলুম কানাইঘাট মাদরাসার এলাকায় যে অবস্থান রয়েছে সেখানে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অবস্থান তৈরির প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
এই এলাকার মানুষ জীবন থেকেও বেশি ভালোবাসে তাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানকে। শায়খুল ইসলাম রাহ.-এর কবর থেকে সুবাতাস প্রবাহিত হবার কথা দিনের মতো স্পষ্ট এবং সত্য। যার সাক্ষী গতকালের লাখের বেশি মানুষ। কতোহাজার মানুষ গতকাল সুগন্ধি সুবাতাস পেয়েছে যার প্রমাণ ইতিমধ্যেই আপনাদের সামনে রয়েছে। আমি নিজেও অনুধাবন করেছি বারবার। কিন্তু যারা এসেও পায়নি তাদের উদ্দেশ্যে বলবো- হয়তো পেয়েও প্রতিহিংসার আগুনে পুড়ে অযথা বকওয়াস করছো অথবা নিজের নিয়্যাত সহিহ নয়। আরে ভাই সারাদিন সিগারেট টেনে রাতে আতরের সুগন্ধ কেমনে পাবে? যারা নিজের অন্তরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন, নিজের ইমানকে ধ্বংস করে দিয়েছেন, যারা এসেও পাননি মনে করুণ এ কথাটা যে, আমার অপরাধে আমি পাইনি! তারা পেয়েছেন যারা সহিহ নিয়তে এসেছেন। কেউ পায় সুগন্ধি সুবাতাস, আর কেউ পায়না! পার্থক্য এটাই, যারা পায় তারা ভাগ্যবান, আর যে পায় না সে হতভাগা।
সারাজীবন পায়খানার জায়গায় থাকা লোকটির আতরের ঘ্রাণ অনুধাবন করার প্রশ্নই আসে না।
আল্লাহর কাছে নাসিকা এবং অন্তর পরিস্কারের দুআ করুণ।
আল্লাহু আলাম।
দ্বিতীয় পর্ব আসবে ইনশাআল্লাহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir