1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
  9. zahidnahid68@gmail.com : Hafiz Zahid : Hafiz Zahid
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২১ অপরাহ্ন

শিরোনামহীন কিছু কথা, কিছু প্রত্যাশা

মাওলানা জুনায়েদ শামসি
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০

 

এক.
বর্তমান ইস্যু হলো ধর্ষণে ছেয়ে গেছে দেশ। সারাদেশে বর্তমানে মানুষরূপী পশুগুলো হায়নার মতো মা-বোনদের উপর আক্রমণ করছে। নারী নির্যাতনের মাত্রা বর্তমানে অধিকহারে বেড়ে গেছে। ধর্ষণের সঙ্গে যারা জড়িত বা এরকম অমানবিক কাজ যারা করছে ; আমি তাদের পরিচয় শুধুই অপরাধী হিসেবে নিতে চাই। কারণ অপরাধ হাল্কা করার জন্যই মানুষ বিভিন্ন পরিচয় গ্রহণ করে। গত কয়েকদিনের নিউজ যদি আপনি বিবেচনা করেন,তাহলে দেখবেন মাদরাসা শিক্ষক (যদিও আলিয়া মাদরাসার), ছাত্রলীগে, ছাত্রদল, শিবিরসহ বিভিন্ন পরিচয়ে থাকা লোকগুলো ধর্ষণকাণ্ডসহ নানাধরণের অপরাধ করে আসছে। এজন্য আমি আমার নীতি-নৈতিকতা থেকে অপরাধকারীর জন্য একজন অপরাধী হিসেবে পরিচয় দেওয়া উত্তম বলে মনে করি। এখানে আমরা যারা প্রতিবাদ করছি ; আমাদের প্রতিবাদ হলো অপরাধ নির্মুলের উদ্দেশ্যে। কোনো সংগঠন বা কোনো দলের বিরোধিতা করা উদ্দেশ্য নয়। সুতরাং ধর্ষকের পরিচয় ধর্ষক রেখেই পরিচালিত হোক আমাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি।
দুই
বর্তমান সংবাদে শুধুই জবরদস্তি করে যেসকল নারীর সাথে কাপুরুষেরা অনৈতিক মিলনের চেষ্টা করে বা অমানবিক আচরণ করছে সিরিফ তাদের নিউজগুলো ধর্ষণ শিরোনামে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু বিবাহ ছাড়া যেসকল নারি-পুরুষ একসঙ্গে আপস সম্মতিতে অবৈধ মিলনে লিপ্ত রয়েছে আমার মতানুসারে সেগুলোও ধর্ষণের শিরোনামে পড়ে। অনুসন্ধান করে দেখুন বাঙালি দেশের বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ মিলনের কারখানা তৈরি করে রেখেছে। কতশত যুবক-যুবতি প্রতি মূহুর্ত অবৈধ মিলনে লিপ্ত রয়েছে। আমার এলাকায় আমরা তরুণশক্তি মিলে কয়েকটি যৌন কারখানা বন্ধ করেছি অতীতে৷ অনৈতিক মিলনরোধে প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিয়ে বন্ধ করেছি ঘাঁটিগুলো। সে হিসেবে আমার দেশে অবৈধ পথে নারী সমাজ অধিকহারে ব্যবহার হচ্ছে। একটু চিন্তা করে দেখুন সব মিলিয়ে ধর্ষণের পরিসংখ্যান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। একটু চিন্তা করলেই আমরা অনুধাবন করতে পারবো প্রকাশ্য ধর্ষণের চেয়েও গোপনে আপস সম্মতিতে অধিক ধর্ষণকাণ্ড আমাদের সমাজে সংগঠিত হচ্ছে। নারীজাতির ইজ্জতহানী যেভাবে প্রকাশ্য জবরদস্তি করে করা অপরাধ ঠিক তেমনি গোপনে আপস সম্মতিতে করাও অপরাধ। তাছাড়া সমাজে শুধু ধর্ষণ নয় আরও কত ধরণের অপরাধ চলছে। নেশা জাতিয় দ্রব্যাদি তরুণ প্রজন্মের বিবেক এবং নৈতিকতা ধ্বংস করে দিচ্ছে।
তিন.
সমাজে যেসকল অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে সবগুলোর পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে।
ক.
আল্লাহর ভয়, পরকালের ভয় মানুষের অন্তর থেকে চলে গিয়েছে। মানুষ ইত্তাকু ইলাল্লাহ-এ নেই।
মনে করুণ- যারা নামায পড়ে এবং গোনাহ করে না জেনে বোঝে ; তারা কেনো গোনাহ করেন না, কেনো নিয়মিত আল্লাহর হুকুম-আহকাম মোতাবেক নিজেক পরিচালনা করার চেষ্টা করেন। জবাবে আসবে- তারা আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁকে সন্তুষ্ট রাখতে এসব করে। উদ্দেশ্য থাকে দুনিয়া পরবর্তী চিরস্থায়ী জগতে সে যেনো কঠিন আজাব থেকে বাঁচতে পারে। সুতরাং পরিষ্কার ভালোকাজগুলো মানুষ আল্লাহর ভয় এবং তাঁর সন্তুষ্টির জন্য করে। বিপরীত খারাপ কাজগুলো কেনো হয়, নিজেকে প্রশ্ন করলেই পরিস্কার হয়ে সামনে আসবে যে, অপরাধীর অন্তর থেকে আল্লাহর ভয় এবং তাঁর সন্তুষ্টির কথা চলে যায়। অপরাধী পরকালের চিন্তা করে না। অপরাধীর অন্তরে যদি আল্লাহর ভয় থাকতো; তাহলে সে কখনও অপরাধ করতো না। অপরাধের প্রথম কারণ অপরাধীর অন্তর থেকে আল্লাহর ভয় দূরিভুত হয়ে যাওয়া। সুতরাং অপরাধের প্রথম ভ্যাকসিন অপরাধীসহ সকল মানুষের অন্তরে আল্লাহর ভয় তৈরি করা এবং পরকালের প্রতি তাকে ধাবিত করা।
খ.
দ্বিতীয় কারণ হলো ক্ষমতা। অর্থাৎ সমাজের মানুষগুলো কিছুটা ক্ষমতাবান হয়ে নিজের নীতি নৈতিকতা হারিয়ে ফেলে। কেউ টাকার ক্ষমতা, কেউ সমাজিক ক্ষমতা, কেউ দলীয় ক্ষমতা, কেউ অন্যান্য ক্ষমতার দেখা পেয়ে নিজেকে নিয়ে যায় পশুর সারিতে। ক্ষমতার মোহে সে অন্ধকার হয়ে যায়। ইসলামী তাহযিব-তামাদ্দুন থেকে দূরে সরে যায়। অহংকারীর মতো চুখে কালো চশমা লাগিয়ে বেড়ায়। যদি ক্ষমতা হয় স্বচ্ছ এবং ক্ষমতার ব্যবহার হয় দেশ-দশের জন্য এবং ক্ষমতাবান ব্যক্তির অন্তরে আল্লাহর ভয় পরকালের কথা স্মরণ থাকে; তাহলে ক্ষমতার কারণে সমাজে কোনো অপরাধ সংগঠিত হবে না। সুতরাং ক্ষমতাবান সকলের প্রয়োজন আল্লাহর সন্নিকটে থাকা কোনো বুজুর্গের সুহবত গ্রহণ করা ও তার পরামর্শ অনুযায়ী নিজেকে পরিচালনা করা এবং আল্লাহর পথে তাঁর দীনের জন্য ক্ষমতার প্রয়োগ করা।
গ.
তরুণ সমাজের সামাজিক চলন-ফিরন। তরুণ সমাজের একটু কাছে যান। একটু খবর নিন। একশোতে ষাট আজকের সমাজে নেশা করে। সারারাত অবৈধ আড্ডায় সময় কাঁটায়। নামায থেকে নিয়ে কোনো ধরনের আমল যা সৃষ্টিকর্তা পালন করতে বলেছেন তার কাছে এগুলোর গুরুত্ব নেই। সিগারেট দিয়ে নেশার জগতে পা রাখে, তারপর ইয়াবা থেকে নিয়ে সবধরনের নেশায় আজকের প্রজন্ম লিপ্ত থাকে। এর একটি কারণ হলো ইসলামী ও নৈতিক শিক্ষার অভাব। একটি শিশুকে জন্মের পর ইসলামী শিক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে বর্তমান সমাজে আধুনিক শিক্ষার দিকে মনোনিবেশ করা হয়৷ ইসলামী শিক্ষায় অপরাধ জগতের অপরাধগুলো থেকে একটি মানুষকে বিরত রাখার জন্য কতরকম ভয়ভীতি দেখানো হয়, এবং এসব থেকে বিরত থেকে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করলে তাঁর ঘোষিত পুরস্কারগুলো সর্বপোরি আল্লাহর ভয় মানুষকে অপরাধ থেকে বিরত রাখে ৷ এজন্য প্রতিটি সেক্টরে ইসলামী শিক্ষা এবং নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামুলক করতে পারলে অপরাধের সংখ্যা হ্রাস পাবে বলে আমি মনে করি।
ঘ.
অভিবাবকদের খামখেয়ালি ও নোংরা রাজনীতির পাঠশালা। অনেক গার্জিয়েন্ট তার সন্তান প্রতিদিন কোথায় যায় কী করে এসবের খোঁজ খবর রাখেন না। এতে সন্তান পথ হারায়। যৌবনের স্বাধীনতা কাজে লাগিয়ে নেশা,ধর্ষণসহ নানারকম অপরাধে জড়িয়ে পড়ে । এতে যোগ দেয় কেউ কেউ নোংরা রাজনীতির পাঠশালায়; যেখানে কিছু কালপিট নিজের স্বার্থে গডফাদারের বেশ ধরে পিছনে অবস্থান করে তরুণদের দিয়ে হরেকরকম অপকর্ম করায়। এর মাধ্যমে একজন তরুণ তার জীবনতরিতে যোগ করে অপরাধে জগতকে। এজন্য একজন গার্জিয়েন্ট-এর জন্য প্রয়োজন সন্তানের খবর রাখা। তাকে পারিবারিকভাবে চরিত্রবান করে গড়ে তোলা। নোংরা রাজনীতির কবল থেকে সন্তানকে দূরে রাখা। পারিবারিক শিক্ষা মানুষের জীবনে অনেক প্রয়োজন।
ঙ.
মহান আল্লাহ সুবহানাল্লাহু ওয়া তাআলা নারী জাতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে কিছু পৃথক আহকাম অবতীর্ণ করেছেন; যার বিপরীত বর্তমান বাঙলার অধিকাংশ নারী। এই কারণেই নারী জাতি আজ অপদস্থ হচ্ছে। মনে করেন,মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশ- নারী জাতিকে নির্ধারিত করা হয়েছে ঘরে অবস্থান করার জন্য, অপ্রয়োজনে কেউ বাহিরে বের হবে না। আর যদি একান্ত প্রয়োজন হয়, তাহলে তাঁর নির্দেশিত পর্দার ভিতরে থেকে নিজেকে সম্পুর্ণ অপরিচিত রেখে নিজের দামী অংশকে গোপনে পর্দার অন্তরালে রেখে ইসলামের দেখানো পন্থায় বাহিরে বের হবে। প্রয়োজন শেষ করেই আবার ঘরে ফিরবে। নারী জাতি সম্মানি; আর সম্মানি জিনিসকে সম্মানের সাথে রাখা উচিত। কিন্তু আমার দেশে- একটু চোখ বোলালেই দেখবেন পথে-ঘাটে যেখানে-সেখানো নিজের মুল্যবান অংশগুলো বাহিরে রেখে সম্পুর্ণ ইসলাম পরিপন্থি অবস্থায় নারীরা চলা-ফেরা করছে। সুতরাং অপরাধ করার প্লাটফর্ম আমাদের সম্মানিত জাতি নারীরা এবং দেশের সিস্টেম তৈরি করে দিচ্ছে। এজন্য অপরাধ নিধনের জন্য প্রয়োজন নারী জাতিকে তাঁর নির্দেশিত পন্থায় জীবনযাপনে বদ্ধপরিকর হওয়া। আর এটাই হলো ধর্ষণরোধের অন্যতম ভ্যাকসিন।
চ.
সেকুলার আইন এবং সেকুলার সিস্টেম। আমার দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো সেকুলার সিস্টেম। জেনারেল প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষ একসাথে বসে ক্লাস করা এবং ক্লাস শেষে পর্দাহীনভাবে উভয়ে আড্ডায় মেতে ওঠে, এতেই তৈরি হয় নারীর প্রতি ঐ পুরুষের আকর্ষণ; যার সাথে সে ক্লাস করে বসে আড্ডা দেয়। এছাড়া বাঙলার প্রায় আইন প্রণীত হয় গনতন্ত্র- সেকুলারিজমের অনুসরণ করে। আর এটা স্বীকৃত মানব রচিত কোনো আইন অপরাধ নির্মূল করতে পারে না। অপরাধ নির্মূলের জন্য প্রয়োজন আল্লাহ প্রদত্ত্ব সংবিধান কুরআনের আইনের বাস্তবায়ন। সুতরাং আমাদের দেশের সকল সিস্টেম সেকুলার থেকে ইসলামে নিয়ে আসা এবং মানবরচিত আইনের পরিবর্তন করে আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করতে পারলে বন্ধ করা যাবে ধর্ষণসহ উল্লেখযোগ্য অপরাধ।
ছ.
মোটকথা! আমরা আজ নৈতিক শিক্ষার আলো বন্ধ করে দিয়েছি। ওহির জ্ঞান থেকে নিজেকে দূরে রেখেছি, নিজেদের তৈরি আইন গ্রহণকরে আল্লাহ প্রদত্ত্ব আইনকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছি, নারীরা অপাত্রে অনৈসলামিক পন্থায় নিজেদের জীবন পরিচালনা করছে, পুরুষেরা নেশা, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে গেছে, ভিডিও অডিও অশ্লীল ফ্লিম নাটক ইত্যাদি সমাজের জন্য ক্যান্সার হয়ে দাঁড়িয়েছে, নৈতিকতার শিক্ষা না দিয়ে অনৈতিক শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে, সর্বপোরি সকলের অন্তর থেকে আল্লাহর ভয় চলে গেছে, পরকালের কথা ভুলে গিয়েছে এ সমাজ, এজন্যই আমার সোনার দেশে ধর্ষণসহ হরেকরকমের অপরাধকাণ্ড সংগঠিত হচ্ছে।

সুতরাং প্রথমে প্রয়োজন- সিনেমা নামক অশ্লীলতা, অশ্লীল নাটিকা, নগ্ন ভিডিওসহ যাবতীয় অনৈতিক কাজগুলো বন্ধ করে দেওয়া। উপরিউক্ত ক থেকে ছ পর্যন্ত বর্ণিত বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
আল্লাহর ভয়, আল্লাহর হুকুম মতো জীবন পরিচালনা, নৈতিক শিক্ষা, আল্লাহর প্রদত্ত্ব আইনের বাস্তবায়ন ছাড়া অপরাধ নির্মূল সম্ভব নয়।
চার.
ক.
মাননীয় বিচার বিভাগ বাংলাদেশ।
এই দেশ একাত্তর সালে লাখো শহীদের রক্তে এবং লাখো মা-বোনের সম্ভ্রমহানীর বিনিময় দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মানুষ সাড়া দিয়েছিলো অপরাধ মুক্ত স্বাধীন একটি দেশ নির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে। আজ পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও যে স্বপ্ন এঁকেছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের বীরেরা; সে স্বপ্ন আজও অপূর্ণ থেকে গেলো। স্বাধীন দেশের বিচার বিভাগের কাছে আমার মতো হাজারো মানুষের চাওয়া- যে হারে অপরাধ বাড়ছে। গতকয়েক দিনে সংগঠিত হওয়া ধর্ষণের ঘঠনাসহ সকল অপরাধ নিধনের জন্য বর্তমান আইন যদি সংশোধন করতে হয়, করেন; তারপরও সর্বোচ্চ সাজা বাস্তবায়ন করুন। বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করতে পারলে কিছুটা অপরাধ নিধন সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করছি।
খ.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
আপনার পিতা স্বাধীনতার পূর্বে যে অমিয় বাণী সাত কোটি মানুষের আদালতে উপস্থাপন করেছিলেন তা ছিলো খুন,ধর্ষণ, অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে। আজকে স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরে স্বাধীনতার বীর সেনানি শেখ মুজিবের সন্তান হিসেবে আপনি বাঙলার মসনদে বসে আছেন। আপনার পিতার সেই অমিয় বাণীর কথা স্মরণ করে বাঙলার সিংহাসন পরিচালনা করার আবদেন আজকের বাংলাদেশের। আমারা যারা সাধারণ জনগণ, আমরা ক্ষমতায় যাবার রাজনীতি করি না,কিন্তু আমরা ভালো থাকতে চাই স্বাধীন দেশে স্বাধীনতার উপর। আপনি একজন দেশনেতা হিসেবে অবশ্যই দেশের খবর প্রতিটি মূহুর্তে রাখছেন। আমরা বিশ্বাস করি, আপনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত। আপনি দেশে যা হচ্ছে অবশ্যই অবলোকন করছেন আপাত দৃষ্টিতে। আপনার কাছে আমাদের চাওয়া, বর্তমান অবস্থায় আপনার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। বর্তমানে সংগঠিত ঘঠনায় জড়িত ব্যক্তিরা কোনো দল বা গুষ্ঠির নয়; ওদের মতো কয়েকটা কীটনাশকের উপর ক্রসফায়ার করলে দেশ-দশের কোনো ক্ষতি হবে না। বিপরীত দেশ-দশ উপকৃত হবে। সুতরাং আমরা আপনার সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং অতি শিগগিরই সকলের আশাতীত বিচার কামনা করছি।

জানি আমার লেখা আমার ওয়ালে থাকবে। হয়তো কিছু লাইক কমেন্ট হবে। এর মধ্যমে কতটুকু উপকার হবে জানি না। মনের ভিতর থেকে ভাঙা হৃদয়ের আকুতি অথবা কিছু কথা আমি এখানে দিলাম; যদি কোনো ফায়দা হয়, এই আশায়।

সুন্দর সমাজের প্রত্যাশায়,
সুন্দর সকালের আশায়,
আজকের এ লেখা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir