1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  4. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  5. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  6. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  7. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  8. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
  9. zahidnahid68@gmail.com : Hafiz Zahid : Hafiz Zahid
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৮:০০ অপরাহ্ন

হিজড়াদের জন্য ধর্মীয় বিধান আছে কি?

আরিফ আবদুল্লাহ
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০

হিজড়া নিয়ে আমাদের বিশেষ শ্রেণির একটু হিজিবিজির লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে যারা নাস্তিক, এগনেস্টিক। তাদের মুখ থেকে এসব কথা বেশি আসে। তাদের ভাষ্য হলো-

• আল্লাহ পাক হিজড়াদের বানিয়ে তাদের উপর ‘অবিচার’ করেছেন।

• আর ইসলাম যদি পূর্ণাঙ্গ ধর্ম হয়, তাহলে ইসলামে হিজরাদের কথা কই?

• তারা কি বোরখা পরবে? নাকি জুব্বা টুপি পরবে? কোনটা? এসব প্রশ্নের জবাব নিয়েই মূলত এই লেখাটি।




প্রথম কথা হলো হিজড়া সম্প্রদায় আল্লাহ তাআলারই বান্দা বা বান্দি। তারাও আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির সেরা জীব। আর অবিচার শব্দটা তখনই আসবে যখন কোনো পাওনাদারকে তার পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে তার হক নষ্ট করা হয়।

ভেবে দেখুন, আমরা কিন্তু আল্লাহর কাছে কিছুরই পাওনাদার নই। আমাদেরে যা দেওয়া হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে আল্লাহর অনুগ্রহ মাত্র। তাই যে যতটুকুই পেয়েছে সেটাই আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ পাক চাইলে আমাদের কুকুর বানাতে পারতো।




আর হিজড়াদের ব্যাপারটা এমন নয় যে, তারা আল্লাহ পাককে পুরোপুরি নারী বা পুরোপুরি পুরুষ হওয়ার জন্যে কয়েক কোটি টাকা দিয়েছিলো, কিন্তু আল্লাহ পাক তা দেন নি!

তাই এখানে অবিচার কথাটি আসতেই পারে না। আল্লাহ পাক কাউকে অন্ধ, কাউকে বোবা, কাউকে অটিস্টিক, কাউকে হিজড়া হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয়ই এতে গভীর কোনো হিকমাহ রয়েছে। অবশ্যই কোনো উদ্দেশ্য লুকায়িত আছে।




দ্বিতীয় ব্যাপারটি হলো, ইসলাম পূর্ণাঙ্গ ধর্ম। এবং তাদের জন্যেও ইসলামে বিধান আছে। সেটা কিরকম দেখুন এবার-

মৌলিকভাবে ইসলামে পুরুষ ও নারীকেই গণ্য করে থাকে। আর যারা উভলিঙ্গ হয়ে থাকেন তারাও মূলত হয় নারী হোন বা পুরুষ হয়ে থাকেন। তাই তাদের ব্যাপারে আলাদা কোন বিধান আরোপ করা হয়নি। যে উভলিঙ্গের অধিকারী ব্যক্তির মাঝে যেটি বেশি থাকবে, তিনি সেই প্রজাতির অন্তর্ভূক্ত হবেন। তাই তাদের ব্যাপারে আলাদা কোন বিধান আরোপ হবার প্রয়োজনই।


হযরত আলী রাঃ কে এমন বাচ্চা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়, যার ছেলে বা মেয়ে হওয়া পরিস্কার নয়। তখন হযরত আলী রাঃ বললেন, সে যেভাবে পেশাব করে সে হিসেবে মিরাস পাবে। {সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-১২৯৪, কানযুল উম্মাল, হাদীস নং-৩০৪০৩, মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১৯২০৪}




হিজড়াদের ক্ষেত্রে বিধান হল তাদের নারী বা পুরুষের যে কোন একটি ক্যাটাগরিতে ফেলতে হবে। রাসূল (ﷺ) এ ব্যাপারে একটি মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সেটা হল, দেখতে হবে হিজড়ার প্রস্রাব করার অঙ্গটি কেমন? সে কি পুরুষদের গোপনাঙ্গ দিয়ে প্রস্রাব করে? না নারীদের মত গোপনাঙ্গ দিয়ে প্রস্রাব করে? গোপনাঙ্গ যাদের মত হবে হুকুম তাদের মতই হবে। অর্থাৎ গোপনাঙ্গ যদি পুরুষালী হয়, তাহলে পুরুষ। যদি নারীর মত হয়, তাহলে নারী। আর যদি কোনটিই বুঝা না যায়। তাহলে তাকে নারী হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই হিসেবেই তাদের উপর শরয়ী বিধান আরোপিত হবে।




ঠিক সেভাবেই তারা হয় বোরখা মানে পর্দা করবে নতুবা পুরুষদের সুন্নাত গ্রহণ করবে।

আর আট-দশ জন স্বভাবিক মানুষের মতো সেও সামাজিক মর্যাদা পাবে, উত্তরাধিকার সূত্রে পরিবার থেকে সেও সম্পদের ভাগ পাবে। দেখা যায়, হিজড়া হওয়ার কারণে অনেক বাবা-মা লোকলজ্জায় তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এটা কিন্তু চরম অন্যায়। চরম গুনাহের কাজ। আল্লাহ যাকে তোমার ঘরে মনোনীত করেছেন তুমি তাকে তাড়িয়ে দেওয়ার কে?




আরেকটি বিষয় সম্পর্কে আপনারা হয়তো অবগত আছেন। সেটা হলো হিজরাদের মাদ্রাসা।
ঢাকার কামরাঙ্গিচরে হিজড়া ভাই বোনদের জন্যে যে মাদ্রাসা হয়েছে। সেটা অবশ্যই প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। আল্লাহ পাক তাদের এবং আমাদের সবাইকে কবুল করুন।


নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir