1. abutalharayhan@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  2. asadkanaighat@gmail.com : Asad kg : Asad kg
  3. dulaljanna095@gmail.com : sohidul islam : sohidul islam
  4. abkfaruq@gmail.com : abdul kadir faruk : abdul kadir faruk
  5. junayedshamsi30@gmail.com : Mohammad Junayed Shamsi : Mohammad Junayed Shamsi
  6. sufianhamidi40@gmail.com : Sufian Hamidi : Sufian Hamidi
  7. izharehaque0@gmail.com : ইজহারে হক ডেস্ক: :
  8. rashidahmed25385@gmail.com : Rashid Ahmad : Rashid Ahmad
  9. sharifuddin000000@gmail.com : Sharif Uddin : Sharif Uddin
  10. Yeahyeasohid286026@gmail.com : Yeahyea Sohid : Yeahyea Sohid
  11. zahidnahid68@gmail.com : Hafiz Zahid : Hafiz Zahid
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন

দিগন্ত বিবেচনা, নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব আর জনশক্তি : শেষ পর্যন্ত সফল গাছবাড়ি হুযুর

সৈয়দ মবনু
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০

সিলেটে আলেম সমাজের প্রতিযোগী দু’টি জনসমাবেশ হয়েগেল। একটি ৪ নভেম্বর ২০২০ বোধবার সিলেট সিটি কর্পোরেশন পয়েন্টে এবং অন্যটি প্রথমে সিটি কর্পোরেশন পয়েন্টে হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসনিক অনুমতি না পেয়ে রেজিস্টারী মাঠে ২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার। দু’টারই দাবী ছিলো মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে। ঈমানী দিক দিয়ে দু’টাই ছিলো আমাদের ঈমানী দায়িত্ববোধ থেকে। দু’টিতেই আমি পর্যবেক্ষক ছিলাম এবং স্পষ্ট দেখেছি উপস্থিত জনতায় ঈমানী দায়িত্ববোধ ছিলো। কিন্তু আয়োজকদের বেশিভাগে স্পষ্ট ছিলো নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব আর জনশক্তি প্রদর্শনমূলক প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগী মনোভাব বুঝতে খুব বড় আলটাসনির প্রয়োজন নেই, তাদের উভয় গ্রুপের বক্তব্যের পর্যালোচনাই যথেষ্ট।





এখানে একেঅন্যকে কথা দিয়ে আঘাত করেছেন, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করেছেন, থামাতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কেউ-ই সফল হয়েছেন কিংবা ব্যর্থ হয়েছেন বলা যাবে না। এখানে ব্যর্থতা যতটুকু সবই এখলাস-ঈমান আর আলেমদের ঐক্যের ঘাটতির দিকে। নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব আর জনশক্তি প্রদর্শনমূলক প্রতিযোগিতায় এখানে ‘কে বা কারা বিজয়ী হয়েছেন’, যদি প্রশ্ন করা হয় তবে প্রাসঙ্গিক বিচার-বিশ্লেষণ করলে ৪ নভেম্বর-এর জনসভাকেই সফল বলতে হবে। কেন? প্রশ্ন করলে উত্তরে বলবো, আসুন দু’টাকে বিচারের পাল্লায় বিবেচনা করি। শুরুতেই আমি বলে রাখি, উভয়গ্রুপে যারা নেতৃত্বে ছিলেন তারা সবাই আমার মাথার তাজ এবং শ্রদ্ধেয়। আমি তাদের কারো বিরোধিতামূলক সমালোচনা করার সাহস রাখি না।



আমি আমাকে মনে করি আকাবির-আসলাফদের গোলামের সমতুল্য। আমি আজ শুধু তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে চাচ্ছি যারা নিজেদেরকে বিজয়ী বলে আত্মতৃপ্ত হয়ে আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী হুযুরকে বিভিন্ন কথা বলছেন কিংবা ব্যঙ্গ করার চেষ্টা করছেন। প্রথমত এখানে কারোই আত্মতৃপ্ত হওয়ার সুযোগ নেই। কেউই বিজয়ী হতে পারেননি। বিজয় তো বিশাল জনশক্তির নাম নয়। বিজয় হলো লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অর্জন কিংবা অর্জনের লক্ষ্যে প্রাণ বিসর্জনের নাম। ইসলামিক দৃষ্টিতে বিচার করলে হযরত রাসুল (স.)-এর মক্কা জয় যেমন বিজয় ছিলো, তেমনি বিজয় ছিলো হযরত হামজা (র.)-এর শাহাদতের নাম। আমরা যদি দেশীয়ভাবে বিচার করি তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন যেমন বিজয় ছিলো, তেমনি সালাম-বরকত-রফিক-জব্বারের প্রাণ বিসর্জনকেও বিজয় বলতে হবে। তাই এখানে কাউকে বিজয়ী বলা যাবে না। কারণ, লক্ষ্য অর্জিত কিংবা লক্ষ্যের পথে প্রাণ বিসর্জন হয়নি। নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব আর জনশক্তি প্রদর্শনমূলক প্রতিযোগিতায় এখানে কে কতটুকু সফল তা আমরা পর্যালোচনা করতে পারি।



আমাদের পর্যালোচনায় ফলাফল ভুল-শুদ্ধ দু’টাই হতে পারে। কারণ আমাদের জ্ঞানের অবস্থান সসীম। অসীম নয়-অসীম হলেন একমাত্র আল্লাহ। আমরা এতই সসীম যে এক সঙ্গে গোটা পৃথিবী তো দূরের কথা, নিজের দেহই দেখতে পারি না। আমরা পারি না নিজের মন দেখতে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে। তাই আমাদের ফয়সালায় ভুল-শুদ্ধ দু’টাই থাকতে পারে। আমরা দেখি, আল্লাহওয়ালারা কোন কিছু বলার পর শেষ করেন- ‘ওয়াল্লাহু আ’লাম’ বলে। কারণ, তারা বিশ্বাস করেন, আল্লাহ অসীম আর বাকী সব সসীম। আমিও আল্লাহওয়ালাদের গোলাম হিসাবে আমার পর্যবেক্ষনের শুরুতে- ‘ওয়াল্লাহু আ’লাম’ বলে শুরু করতে চাই। কারণ, আমি চর্মচোখে নিজের বিবেচক আত্মা থেকে কথা বলছি। ভুল-শুদ্ধ দু’টাই হতে পারে। আমার কথা কারো পক্ষে কিংবা বিরুদ্ধে গেলেও আমি কারো পক্ষে নয়। কারণ, উভয়গ্রপে আমার শ্রদ্ধেয়রা কর্ণদার হয়ে আছেন, আর আমি সর্বদা দোয়া করি আল্লাহ আমাকে আমার শ্রদ্ধেয়দের বেয়াদবি থেকে রক্ষা করুন।




৪ এবং ২১ নভেম্বর সিলেটে উলামাদের নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব আর জনশক্তি প্রদর্শনমূলক প্রতিযোগিতায় কে বা কারা সফল হলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা যে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে বলে আমি মনে করি;

১. আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ির ডাকা ৪ নভেম্বরের জনসভা। কারণ তা ছিলো হঠাৎ ডাকা এবং আহবায়ক ছিলেন এক ব্যক্তি; আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী। তাঁর ব্যক্তি ইমেজ ছাড়া নিজস্ব কোন কর্মী বাহিনী নেই। ২১ নভেম্বরের জনসভা প্রায় পনেরোদিন পূর্বে ঘোষিত এবং তা দেখার মধ্যে ছিলো প্রধানত দু’টি ইসলামী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে; খেলাফত মজলিস ও জমিয়তে উলাময়ে ইসলাম। ফলে এই দুই দলের নেতা-কর্মীরা কাজ করেছেন এবং এসেছেন দলীয় দায়িত্ববোধ থেকে।


২. ৪ নভেম্বরের জনসভায় আহবায়ক ছিলেন একমাত্র আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী। আর ২১ নভেম্বরের জনসভায় আহবায়কদের নামের তালিকায় তারা আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ীর নামকেও ব্যবহার তো করেছেনই, সঙ্গে দিয়েছেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়বে আমীর হাফেজ মাওলানা মজদুদ্দীন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা জিয়া উদ্দিন এবং রেঙ্গা মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহিউল ইসলাম বুরহান সাহেবের নাম।




৩. ৪ নভেম্বরের জনসভার সংবাদের শিরোনামে দু’টাকেই বিশাল সমাবেশ বলেছে। তবে ভেতরের সংবাদে বলা হয়েছে, ‘সিলেট দরগাহ মাদরাসার মুহতামীম এবং উলামা পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ীর ডাকে বিশাল জনসমুদ্র’, এবং ২১ নভেম্বরের জনসভার সংবাদে বলা হয়েছে, হেফাজতে ইসলাম জেলা শাখার আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ। দুটাই স্টাফ রিপোট। (দৈনিক সিলেটের ডাক : ৫ এবং ২১ নভেম্বর ২০২০, প্রথম পৃষ্ঠা)।




৪. ৪ নভেম্বরের জনসভায় কোন জাতীয় পর্যায়ের কিংবা স্থানীয় মেহমানের কথা আগে ঘোষণা করা হয়নি এবং ছিলেনও না। এখানে মূল আকর্ষণই ছিলেন আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি। ২১ নভেম্বরের জনসভায় বৃহত্তর সিলেট থেকে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়বে আমীর হাফেজ মাওলানা মজদুদ্দীন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা জিয়া উদ্দিন, রেঙ্গা মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহিউল ইসলাম বুরহান, বরুনার পীর সাহেব মাওলানা রশিদুর রহমান ফারুক বর্ণভী প্রমূখ তো ছিলেনই। সাথে আকর্ষণ ছিলেন চট্টগ্রাম থেকে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, ঢাকা থেকে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়বে আমীর এবং খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমদ আব্দুল কাদের এবং হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব শায়খুল হাদিস মাওলানা নুর হোসাইন কাসেমী। তারা প্রচারের সময় গাছবাড়ী হুজুর ও মাওলানা মামুনুল হকের নামও ব্যবহার করেছেন। যদিও পরে তারা দু’জনের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। গাছবাড়ির হুজুর থাকবেন না এবং এই সমাবেশের সাথে তাঁর কোন সম্পর্ক নেই বলে পূর্ব-রাতে ঘোষাণা এলেও মাওলানা মামুনুল হকের ব্যাপারে কোন ঘোষনা আসেনি।




৫. ২১ নভেম্বরের জনসভায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে মেহমান নিয়ে আসতে যাথায়াতের জন্য আমার সংগ্রহকৃত তথ্যানুসারে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও তাঁর খাদেম এবং হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব শায়খুল হাদিস মাওলানা নুর হোসাইন কাসেমী ও তাঁর খাদেমকে সিলেট থেকে মোট চারটি বিমানের টিকেট দিতে হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়বে আমীর এবং খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমদ আব্দুল কাদের এবং তাঁর কোন খাদেমকে টিকেট দেওয়া হয়েছে কি না তা আমার জানা নেই। ৪ নভেম্বরের জনসভা এই অতিরিক্ত খরচ থেকে মুক্ত ছিলো।




৬. ২১ নভেম্বরের জনসভা হেফাজতে ইসলাম জেলা কমিটির ব্যানারে করা হলেও জেলার সভাপতি আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ীকে এড়িয়ে তা করা হয়েছে এবং তা কেন্দ্রীয় আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে এব্যাপারে অন্ধকারে রাখা হয়েছে। সিলেট পৌঁছে যখন তিনি বিষয়টি জানতে পারেন তখন খুব নারাজ হন এবং প্রথমে জনসভায় যেতে চাননি। কিন্তু তাঁর ফিরে যাওয়ারও সুযোগ ছিলো না। কারণ বিমানে ফেরত যাওয়ার কোন পথ ছিলো না। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ৫ মে যেমন আল্লামা আহমদ শফি (র.) লালবাগে গিয়ে আটকে গিয়েছিলেন, তেমনি ২১ নভেম্বর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী সিলেট বিমান বন্দরে এসে আটকা গেলেন। তিনি বিমান বন্দর থেকে গাছবাড়ী হুজুরের সাথে ফোনে কথা বলেন বলে জানা যায়। কি কথা হয়েছে তা আমি শোনিনি। তবে গাছবাড়ী হুজুরের বক্তব্য থেকে কেউ কেউ প্রচার করেছেন, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী জানতে চেয়েছেন, আমাকে দাওয়াত করে আপনি কোথায়? গাছবাড়ীর হুজুর বলেছেন, আমি দাওয়াত করিনি এবং এই সমাবেশের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আল্লামা বাবুনগরী তখন রাগ করে আয়োজকদেরকে বলেছেন, তিনি সমাবেশে যাবেন না। পরে নাকি আল্লামা কাসেমী ওয়াদা করেন, জনসভা শেষে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে সমাধান করবেন। সবার অনুরোদ আর আইনগত কারনে বিমান বন্দর থেকে বেরিয়ে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী জনসভায় যোগদেন বলে জানা যায়। তবে কারো কারো দাবী হলো, দু একজন নাকি বিমান বন্দরে গিয়ে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে জনসভায় আসা থেকে বিরত রাখতে চেষ্টা করেছেন। এই চেষ্টাও এক প্রকারের বোকামী ছিলো। কারণ, বিমানে আসা ব্যক্তির পক্ষে বিমানে ফেরত যাওয়া সম্ভব নয়। তা ছাড়া যেখানে সেক্রেটারী ও নায়বে আমীর এসেগেছেন সেখানে আমীরের পক্ষে বিদ্রোহ করাও অসম্ভব।




৭. ৪ নভেম্বরের জনসভায় মাদরাসার ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সংখ্যাও ছিলো চোখে লাগার মতো। ২১ নভেম্বরের জনসভায় বেশিভাগ মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক ছিলেন, সাধারণ মানুষের সংখ্যা ছিলো কিছুটা কম। ২১ নভেম্বরের জনসভায় উপস্থিতদের বয়সের দিকে কৈশোরের সংখ্যা ছিলো বেশি। ৪ নভেম্বরের জনসভায় সিলেটের জন নন্দিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নিজে উপস্থিত হয়েছেন এবং সিলেট বাসীর পক্ষ থেকে ঘোষণা দিয়েছেন, গাছবাড়ী হুজুর যেকোন সময় ডাক দিলে তিনি সিলেট মহানগরীর সর্বস্থরের নাগরিককে নিয়ে উপস্থিত হবেন। ২১ নভেম্বরের জনসভায় সিটি কর্পোরেশনের ২৭ ওয়ার্ডের মধ্যে একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কয়েস লোদী উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।

৮. ৪ নভেম্বরের জনসভায় প্রধান আকর্ষণ আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি থেকে পত্রিকায় যে গুরুত্ব পেয়েছেন ২১ নভেম্বরের জনসভায় জাতীয় এবং স্থানীয় অনেক নেতা থেকেও সেই গুরুত্ব লাভ হয়েছে। সিলেটের সবচে’ জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক সিলেট ডাকের প্রথম পাতায় দুটি জনসভার সংবাদ চার কলাম ছবি এবং তিন কলাম নিউজ হয়েছে।




৯. ৪ নভেম্বরের জনসভায় যেমন বেশি লোক এসেছেন বলে অনেকে অভিযোগ করেন জৈন্তা এলাকা থেকে তেমনি অভিযোগ রয়েছে ২১ নভেম্বরের জনসভায় বেশি লোক এসেছেন বিয়ানিবাজার এলাকা থেকে। এই অভিযোগ সত্য কিংবা মিথ্যা তা আল্লাহ ভালো জানেন।
১০. শহরের অনেকেই স্বীকার করেছেন, ৪ নভেম্বরের জনসভার পূর্বে সাধারণভাবে যে আবেদন তৈরি হয়েছিলো তা ২১ নভেম্বরের জনসভার আয়োজকরা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অবশ্য অনেকে মনে করেন, দ্বিতীয় বিয়ে প্রথম বিয়ের মতো আবেদন শত চেষ্টার পরও তৈরি করা সম্ভব হয় না।




এই দশটি বিষয়কে যদি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে সফলতা-ব্যর্থতার জায়গা থেকে বিচার-বিবেচনা করা হয় তবে নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব আর জনশক্তি প্রদর্শনমূলক প্রতিযোগিতায় বলতে হবে ২১ নভেম্বরের জনসভা থেকে বেশি সফল হয়েছে ৪ নভেম্বরের জনসভা। আর যদি দ্বীনি জায়গা থেকে বিবেচনা করি তবে বলতে হবে এখলাস থাকলে সোয়াবের দিকে উভয় সমান। আমাদের উচিৎ নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব আর জনশক্তি প্রদর্শনমূলক প্রতিযোগিতার চিন্তা পরিহার করে এখলাসের সাথে সোয়াবের বিষয়টি বিবেচনা করা। আল্লাহ উভয় গ্রুপের কষ্ট-সাধনাকে কবুল করুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Izharehaq.com
Theme Customized BY Md Maruf Zakir