1. abutalha6256@gmail.com : abdul kadir : abdul kadir
  2. abutalha625616@gmail.com : abu talha : abu talha
  3. asadkanaighat@gmail.com : Asad Ahmed : Asad Ahmed
  4. izharehaq24@gmail.com : mzakir :
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

হাফিজ আতাউর রহমান শ্রীপুরী রাহ.’র সংক্ষিপ্ত জীবনী

রিপোর্টার নাম:
  • প্রকাশটাইম: মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

হাফিজ আতাউর রহমান শ্রীপুরী রাহ.র সংক্ষিপ্ত জীবনী
(জন্ম ১৯৫৮—২০২১ ঈসায়ী )
মু’তাসিম বিল্লাহ সাদী

হাফিজ আতাউর রহমান শ্রীপুরী একটি নাম, একটি প্রতিষ্ঠান,হাফিজ গড়ার এক অনন্য কারিগর ৷ তিনি ছিলেন গারে হেরার নাযিজকৃত হামিলে কোরআনের শীতল বারিধারার বহমান এক ঝর্ণা ৷ যে ঝর্ণা থেকে অসংখ্য অগণিত শাখা প্রশাখা প্রবাহিত হয়ে কোরআনের খেদমত করে যাচ্ছে ৷ তা কিয়ামত পর্যন্ত চলতে থাকবে ইনশাআল্লাহ ৷ যা তাঁর নাজাতের উসিলা হবে বলে আশা করি ৷




তিনি সিলেট জেলার ইলমের নগরী হিসেবে খ্যাত কানাইঘাট উপজেলার পৌর এলাকার শ্রীপুর গ্রামে এক ইলমী পরিবারে ১৯৫৮ সালের ১লা জানুয়ারি কোনো এক শুভক্ষণে জন্মগ্রহণ করেন ৷ ভাই-বোন ৭ জনের মধ্যে তিনি ছিলেন ৬ষ্ঠ ৷ তাঁর পিতার নাম শেরে জৈন্তা হযরত মাওলানা নজিব আলী রাহ. ( তিনি ১৮৮৪ —১৯৮৭ ভারতের শাহী মুরাদাবাদ ও রামপুর মাদরাসা থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে দেশে ফিরে এসে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও ওয়াজ নসিহতের মাধ্যমে দীনের খেদমত আঞ্জাম দিয়ে গেছেন ৷ তিনি বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের বীরপুরুষ ১৯২২ সালের বৃটিশ বিরোধী কানাইঘাটের লড়াইয়ের অন্যতম সিপাহসালা ছিলেন ৷ ইসলামি শিক্ষাবিস্তার ও সকল প্রকার আন্দোলনে আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহ.এর সহচর ও বিশ্বস্থ বন্ধু ছিলেন ৷ তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী “মাশায়েখে সিলেট ১খণ্ডে” লেখা হয়েছে ) ৷ মাতার নাম জুবায়দা খাতুন একজন পর্দানশীল দীনদার মহিলা ও ছিলেন৷




শিক্ষাজীবন : আশরাফুল মাখলুকাত মানবজাতিকে যে বৈশিষ্ট্যদের কারণে অন্য সব জাতির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে তা মানুষের জ্ঞান বা বুদ্ধি ৷ এই জ্ঞান বা বুদ্ধির বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটে শিক্ষার মাধ্যমে। শিক্ষাই মানুষকে মর্যাদার শিখরে পৌঁছে দেয়। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। তাই বলা হয় ‘সুশিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’।




হাফেজ সাহেব রাহ.শিক্ষিত পরিবারের সন্তান হওয়ার সুবাদে শিশুকালে জ্ঞানের সোনার চামচ মুখে দিয়ে আরবি বর্ণ পরিচয়ের শুরু হয় নিজ পিতার কাছ থেকে ও সাথে সাথে গ্রামের সাবাহী মক্তব থেকেই ৷ আর জ্ঞানের নুড়ি কুড়াতে গিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সূচনা করেন শেবনগণ প্রাইমারি স্কুল থেকে ৷ এখান ভর্তি হয়ে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে ৩ য় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন ৷ এরপর তাঁর পিতা শেরে জৈন্তা রাহ.তাকে একজন হামিলে কোরআনের ধারক ও বাহক হিসেবে গড়েতোলার জন্য কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসায় হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেন ৷




তিনি অত্যন্ত প্রখর মেধা ও স্মৃতিশক্তির কারণে মহান আল্লাহর রহমতে পাথরে খোদাই করে চিত্রাঙ্গনের ন্যায় যেন পবিত্র কোরআন মাজিদকে বুকে ধারণ করে নিলেন ৷ এরপর একই মাদরাসায় কিতাব জামাতে ভর্তি হয়ে মিযানুস-সারফ পর্যন্ত লেখাপড়া করেন ৷ তাঁর হিজফ বিভাগের প্রধান উস্তাদ ছিলেন হাফেজ ইবরাহিম দুর্লভপুরী রাহ.৷ যিনি চার দশকের বেশি সময় কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক ছিলেন ৷ হাফিজ আতাউর রহমান সাহেবের মত বৃহত্তর জৈন্তা এলাকায় কত যে ছাত্রের শিক্ষক ছিলেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই ৷ আল্লাহ তাঁর কবরকে জান্নাতের বাগিচা বানিয়ে দিন ৷




কর্মজীবন : মিযানুস-সারফ পর্যন্ত লেখাপড়া করার পর তিনি আর কিতাব বিভাগে পড়ার সুযোগ হয়নি ৷ দারুল কোরআন শেবনগর মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম হযরত মাওলানা মুদ্দাসসির আলী রাহ.এর অনুরোধে হযরত হাফেজ সাহেবর শিক্ষকতার মাধ্যমে শেবনগর মাদরাসায় ১৯৭৯সালে হিফজ বিভাগের শুভসূচনা হয় ৷ এখানে বছর তিনেক হিফজ শাখার শিক্ষাদানের সাথে সাথে দুর্লভপুর কোনার মসজিদের ইমামতির দায়িত্বও পালন করেন ৷ এরপর কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসার সাবেক মুহাদ্দিস আরবি সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল হযরত মাওলানা আবদুল হাফিজ কুওরের মাটি রাহ. নির্দেশে কুওরের মাটি মাদরাসায় চলে যান ৷ এখানে বছর তিনেক শিক্ষকতা করার পর মুজাহিদে মিল্লাত হযরত মাওলানা শায়খে আবদুল্লাহ হরিপুরী রাহ.এর নির্দেশে হরিপুর বাজার মাদরায় চলে যান ৷




এখানে বছর পাঁচেক অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে শিক্ষাদানের ফলে তাঁর সুনাম ও সুখ্যাতি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে যায় ৷ আল্লামা শফিকুল হক সুরাইঘাটী হাফি.নিজ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে ১৯৮৬ সালে সুরাইঘাট মাদরাসায় চলে আসলে হাফেজ সাহেবকে ১৯৮৯ সালে সুরাইঘাট মাদরাসায় নিয়ে আসেন ৷ তিনি ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত প্রায় এক দশক ঃঅত্যন্ত দক্ষতার সাথে শিক্ষাদানের ফলে মাদরাসার সুনাম ও সুপরিচিতি একধাপ এগিয়ে যায় ৷ যাতায়াতের অসুবিদার কারণে একদশক শিক্ষকতা করার পর চলে যান বর্তমান শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম মাদরাসায় ৷ তিনি শাহবাগ মাদরাসায় আসার পর মাদরাসা যেন হিফজ শাখার নবোদ্যমে ভরা যৌবনে পদার্পণ করে এখানে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে শিক্ষকতা করেন ৷ এরপর ক্রমান্নয়ে দারুল আরকাম সুরাইঘাট মাদরাসা,শাহগলী বাজার মাদরাসা,শরিফাবাদ মাদরাসা,কায়স্তগ্রাম মাদরাসা কানাইঘাট হামিলে কোরআনের মহান খেদমত আঞ্জাম দিয়ে যান ৷ তিনি যে কত হাফেজ তৈরি করে গেছেন তা কোনো হিসেব নেই ৷ আল্লাহ তাঁকে কবর জগতে উত্তম বদলা দান করুন,আমীন ৷




মিশর থেকে প্রকাশিত
المعجم المفهرس لألفاظ القرآن الكريم
নামে অমূল্য কোরআরে অভিধান নামক গ্রন্হের তিনি তাহকিক করেদেন ৷ এই কিতাবে কোরআনে আয়াতে মুশাবিহা কতবার,কোনো লফজ কোনো সূরাতে কত পারাতে কতবার এসেছে তা বর্ণনা করা হয়েছে ৷ এছাড়া এব্যাপারে তাঁর নিজের লেখা কয়েকটি মূল্যবান পান্ডুলিপি ও রয়েছে ৷ যা অচিরেই প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ ৷
আধ্যাত্মিক জীবন : তিনি একজন হামিলে কোরআনের পাশাপাশি তাযকিয়ায়ে নাফসের ব্যাপারেও অত্যন্ত সোচ্চার ছিলেন ৷




দেহের রয়েছে দু’টি অবস্থা: সুস্থতা ও অসুস্থতা। ঠিক তেমনি আত্মারও রয়েছে সুস্থতা ও অসুস্থতা। দেহ অসুস্থ হলে যেমন চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তুলতে হয়, তেমনি আত্মা রোগাক্রান্ত হলে তাকে সুস্থ বা পরিশুদ্ধ করে তুলার জন্য একজন আল্লাহ ওয়ালার সুহবত গ্রহণ করতে হয় ৷ তাই তিনি আত্মশুদ্ধির জন্য খলীফায়ে মাদানী হযরত আবদুল গাফফার শায়খে মামরখানি রাহ.এর কাছে বায়আত গ্রহণ করে তাযকিয়ায়ে নাফসের ময়দানে সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করলে শায়খে মামরখানী রাহ.তাঁকে ইজাজত বা খেলাফত প্রদান করেন ৷ হযরত মামরখানী রাহ.এর জীবনীতে তাঁর খলীফাদের তালিকায় হাফেজ সাহেবের নাম ও উল্লেখ করা হয়েছে ৷ অধম মুহসিনিয়া সুরাইঘাট মাদরাসার পড়াকালে যতদূর আজও মনে পড়ে ১৯৯৫ সালের শীত মৌসুমের কোনো একদিন হযরত হাফেজ সাহেবের আহবানে খলীফায়ে মাদানী হযরত মামরখানী রাহ.জামেয়া আহলিয়া মুহসিনিয়া সুরাইঘাট মাদরাসায় শোভাগমন করে রাত যাপন করেন এবং তাঁকে ইজাজত দান করেন ৷ হযরতের বার্ধক্য বয়সে সচুক্ষে একরাতের আমল দেখে নিজেকে বড় অপরাধী মনে হয় ৷ এটাই ছিল হযরত শায়খে মামরখানী রাহ.সুরাইঘাট মাদরাসায় প্রথম ও শেষ আগমন ৷ হযরত হাফেজ সাহেব এক পবিত্র উমরা পালন করেন ৷




পারিবারিক জীবন : পারিবারিক জীবনে তিনি ছিলেন ৪সন্তানের জনক ৷ ২ছেলে ও ২ মেয়ে ৷
১.বিশিষ্ট লেখক,গবেষক,আরবি সাহিত্যিক বন্ধুবর হযরত মাওলানা হারুনূর-রশীদ উস্তাদ জামেয়া আহলিয়া দারুল হাদীস মুহসিনিয়া সুরাইঘাট মাদরাসা,কানাইঘাট সিলেট ৷
২.জনাব মামুনূর রশীদ ৩.মোছা.শুহাদা বেগম ৪.মোছা.আবিদা বেগম,সবাই বিবাহিত ৷




তাঁর বিশেষ কিছু গুণাবলী :
ক. তিনি ছিলেন আমার দেখা অনন্য স্মৃতিশক্তিধারীদের অন্যতম। মাওলার ইচ্ছায় তিনি পবিত্র কোরআন মাজিদ নাকি একবারই মুখস্থ করে স্মৃতিতে রেখে দিয়েছিলেন; মুখস্থ রাখার জন্য কখনও তাঁকে তেলাওয়াত করতে হত না। তা নিজেই প্রায় সময় আমাদেরকে বলতেন ৷
খ. তিনি সমস্ত কুরআন মাজিদ আয়াত- আয়াত করে উল্টো লোকমা ছাড়া অনায়াসে পড়তে পারতেন। কোন সূরায় কয়টি আয়াত,কতো নম্বর আয়াত,কোন সূরায় কোন অক্ষর কতবার এসেছে এসব নির্দ্বিধায় বলতে পারতেন। আমি অধম নিজে ও বেশ কয়েকবার এভাবে তাঁর কোরআন তেলাওয়াত শুনার সৌভাগ্য হয়েছে । আহ তাঁর মতো এমন স্মৃতিধর হাফিজে কুরআন ব্যক্তি আজ বিরল।
গ. আমাদের উত্তসূরী আল্লাহ ওয়ালাদের ন্যায় তিনি শেষ রাতে তাহাজ্জুদের নামায পড়ে এত বেশি কান্নাকাটি করতেন। জীবনে যে ক’জন মহান ব্যক্তিকে একেবারে কাছে থেকে নিজেকে সবচে বড় অপরাধি মনে করে শেষ রাতে কান্নাকাটি করতে দেখেছি, তিনি ছিলেন তাঁদের একজন।
ঘ. তিনি ছিলেন আমলে নবী,আখলাকে নবীর সুন্নাতের খুবই পাবন্দ। বিশেষ করে ছাত্রদের মেসওয়াক, চুল, নক ও সুন্নতি পোশাকের ব্যাপারে তাঁর সচেতনতা ছিল এক অনন্য।
ঙ. তিনি যেখানেই যেতেন সেখানকার লোকজন মনে করতো যে, তিনি তাদের আত্মারই আত্মীয়। আমি মনে করতাম তাঁর মুখে যেন মধু কিংবা ঘী-মাখা। কারণ, তিনি যখন দূর সম্পর্কেরও কাউকে ভাইসাব, মামুজী, চাচাজী, সোনা (হুনা), দাদাভাই প্রভৃতি মায়াময় শব্দ চয়ন করে প্রাণ খোলে ডাক দিতেন, তখন তাঁকে আপন না ভেবে উপায় ছিল না। অসংখ্যবার অধম নিজে তাঁর সফরে হজরে একেবারে কাছ থেকে এতো সুন্দর ও দরদ মাখা ব্যবহার দেখার সুযোগ হয়েছে ৷
চ. তিনি একজন নিছক হাফিজে কোরআন হওয়া সত্তেও শতশত হাদীস তাঁর মুখস্ত ছিল ৷ যা আজ -কাল অনেক মুহাদ্দিসগণও মুখস্ত হাদীস বলতে হিমশিম খাবে ৷
ছ.তাঁর ইলমে তাজবীদের কিতাব পড়ানোর বাচনভঙি ছিল এতো বিরল যে কোনো ছাত্র তা একেবারে সহজে বুঝতে সক্ষম হয় ৷
ছ. তিনি কোরআন হাদীসের বর্ণিত আয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে ঝাড়ফোক দিতেন ৷ আমার দেখামত অসংখ্য অগণিত লোক আল্লাহর রহমতে সুস্থতা লাভ করেছে ৷
জ. ছাত্রদেরকে কোরআন হিফজ করানোর প্রদদ্ধি ছিল অসাধারণ ৷ তাই অনেকে তাঁর ছাত্র হওয়াতে সৌভাগ্যবান মনে করেন ৷




ইন্তেকাল : হাফিজ গড়ার এক অনন্য কারিগর খ্যাত এই মনীষি বিগত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে বেশ কয়েকবার সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ মহান আল্লাহর রহমতে পাঁচমাস অসুস্থ থাকার পর গত ২৩ জানুয়ারি ২০২১ ঈসায়ী রোজ শনিবার বিকেল ৫টা৩০মিনিটের সময় নিজ বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন,ছাত্র ও ভক্তদেরকে শোকসাগরে ভাসিয়ে মাওলায়ে হাকিকির সান্নিধ্যে চলে যান ৷ ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন ৷ পরদির সকাল ১১টার সময় শ্রীপুর মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিম মাঠে তাঁর নামাযে জানাযা অনুষ্ঠিত হয় ৷ জানাযার ইমামতি করেন কানাইঘাট দারুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস লক্ষিপুরী হাফি.৷ জানায পর গ্রামের মসজিদের গোরস্তানে পিতার পাশে তাঁকে শায়িত করা হয় ৷ আল্লাহ তাআলা তাঁর সারা জীবনের কোরআনের খেদমতকে কবুল করুন ও জান্নাতুল ফিরদাউসের আলা মাকাম দান করুন,আমীন ৷




তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন হাফিজ সাহেবের বড় ছেলে লেখক,গবেষক ও আরবি সাহিত্যিক বন্ধুবর হযরত মাওলানা হারুনূর রশীদ হাফি. শিক্ষক সুরাইঘাট মাদরাসা, কানাইঘাট সিলেট ৷ আল্লাহ তাঁকে উত্তম বদলা দান করুন ৷




পরিশেষে সবার কাছে অনুরোধ করছি তত্ত্বগত কোনোপ্রকার ভুল হলে অথবা হুজুর সম্পর্কে কোনো নতুন তত্ত্ব কারো জানা থাকলে কমেন্ট দিয়ে সহযোগিতা করবেন পরবর্তিতে আমরা সংশোধন করে আরও সমৃদ্ধ করবো ইনশাআল্লাহ ৷

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
copyright 2020:
Theme Customized BY MD MARUF ZAKIR