1. abutalha6256@gmail.com : abdul kadir : abdul kadir
  2. abutalha625616@gmail.com : abu talha : abu talha
  3. asadkanaighat@gmail.com : Asad Ahmed : Asad Ahmed
  4. izharehaq24@gmail.com : mzakir :
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১০:০৪ অপরাহ্ন

রামাযানে ‘প্রথম আলোর’ বিষ থেকে বাঁচুন

ওলি উল্লাহ আল হাদি
  • প্রকাশটাইম: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১

পবিত্র রামাযানে প্রথম আলোতে নিয়মিত লেখবেন মাওলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান। তার সম্পর্কে সবার জানা দরকার। জানা দরকার কেন তাকে প্রথম আলো ফলাও করছে। মাওলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান ১ জানুয়ারি ১৯২৫সালে ভারতের উত্তরপ্রদেশের আজমগড় এলাকায় জন্মগ্রহণকারী একজন আলেম এবং তথাকথিত শান্তিকর্মী। প্রথমে জামায়াতে ইসলামি করতেন।পরবর্তিতে জামাত ছেড়ে দেন “রাজনৈতিক ইসলামে”র বিপক্ষে বলে। গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেন ইসলাম বিদ্বেষী সমাজে। সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পৃষ্ঠপোষকতায় আন্তর্জাতিক ডেমিরগাস শান্তি পুরস্কার পান ২০০০ সালের জানুয়ারিতে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মভূষণ, মাদার তেরেসার কাছ থেকে জাতীয় নাগরিক পুরস্কার, রাজিব গান্ধী জাতীয় সদ্ভাবনা পুরস্কার (২০০৯) এবং আবুধাবিতে সাঈদীনা ইমাম আল হাসান ইবনে আলী শান্তি পুরস্কার (২০১৫) প্রদান করা হয়।(১)

কিন্তু তিনি ইসলাম বিদ্বেষী মহলে এই ব্যপক গ্রহণযোগ্যতা পেলেন কীভাবে? এর উত্তর পাবেন তার ব্যপারে উপমহাদেশের গ্রহণযোগ্য ফিকহ ও ফতোয়া বিষয়ক সর্বোচ্চ অথরিটিগুলোর মূল্যয়ন দেখলে।
এই আলেম সম্পর্কে দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া,
”ওয়াহেদ উদ্দিন খানের অনেক বিশ্বাস ও আদর্শই সংখ্যাগরিষ্ঠ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরোধী। উদাহরণস্বরূপ: কেউ যদি রাসূল (সাঃ) এর পবিত্র সত্তার উপর অবমাননা করে, তবে মাওলানার নিকট তাকে হত্যা করা হবে না; অথচ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মতে এমন অপরাধি ওয়াজিবুল কতল।এমনিভাবে তাকলিদ না করা,ফকীহদের অহেতুক সমালোচনা করা,পবিত্র কোরআনের মনচাহে ব্যাখ্যা করা এবং জিহাদের আয়াত-হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা করা, এগুলোতে লিপ্ত।
সমগ্র মুসলিম উম্মাহর চূড়ান্ত বিশ্বাস হলো, মহানবী সা. যে কোন ও ক্ষেত্রে পূর্ণ মানবতার জন্য চূড়ান্ত উদাহরণ,যা কেবল দেখার বিষয় নয়। পাশাপাশি ঈসা আ. আসমানে জীবিত উঠিয়ে নেয়া ও কেয়ামতের পূর্বে আবার পৃথিবীতে আসার ব্যপারে পবিত্র কুরআন আর হাদিসে শরিফে স্পষ্ট নস বিদ্যমান। তেমনিভাবে দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাওজুজ সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা রয়েছে, যা সন্দেহ করা বা কেবল রূপক হিসাবে বর্ণনা করার সুযোগ নেই।
ওয়াহিদুদ্দিন খানের ঈসা আ.-কে উঠিয়ে নেয়া ও তাঁর প্রত্বাবর্তন অস্বীকার এবং কেয়ামতের আলামত সম্পর্কে ভিত্তিহীন সন্দেহ প্রকাশ করা নিঃসন্দেহে বক্রতা,পথভ্রষ্ঠতা এবং সুস্পষ্ট প্রকাশ্য ত্রুটি। এজন্য ওয়াহিদুদ্দিন খানের কিতাব পড়া এবং তার সাহিত্যের প্রচার থেকে বেঁচে থাকা আবশ্যক।” (২)

পকিস্থানের জামিয়া বানুরি টাউনের মূল্যয়ন,
”এ জাতীয় লোকের লেখায় প্রবল সাবলীলতা এবং লেখার দক্ষতার কারণে সাধারণ মানুষের পথভ্রষ্টতা ও আত্মপুজার পথ প্রশস্ত হয়। সুতরাং এ জাতীয় লোকের লেখা এড়ানো উচিত।”(৩)

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
copyright 2020:
Theme Customized BY MD MARUF ZAKIR