1. abutalha6256@gmail.com : abdul kadir : abdul kadir
  2. abutalha625616@gmail.com : abu talha : abu talha
  3. asadkanaighat@gmail.com : Asad Ahmed : Asad Ahmed
  4. izharehaq24@gmail.com : mzakir :
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ ও কিছু অনুভূতি

তোফায়েল আহমেদ রামীম
  • প্রকাশটাইম: শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

ভ্রমণ করতে কে না ভালবাসে! আর সেটা যদি হয় বাংলাদেশর সর্বদক্ষিণে অবস্থিত স্বপ্নের নীলাভ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপই হচ্ছে সেন্টমার্টিন।  যার অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।  আকাশের নীল আর সমুদ্রের নীল সেখানে মিলেমিশে একাকার।  তীরে বাঁধা নৌকা, নান্দনিক নারিকেল গাছের সারি, টেউয়ের ছন্দে মৃদু পবনের কোমল স্পর্শ,  বালুকাময় সৈকত, প্রবালের প্রাচীর এই দ্বীপকে দিয়েছে অপার সৌন্দর্য।  প্রকৃতি তার ইচ্ছে মতো দু’হাত মেলে সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে এখানে। বালি, পাথর কিংবা জীব বৈচিত্রের সমন্বয়ে জ্ঞান আর ভ্রমণ পিপাসু মানুষের জন্য অনুপম অবকাশ কেন্দ্র সেন্টমার্টিন। ২য় জাতীয় কমিউনিটি বেইজড স্কাউট ক্যাম্পিং করার সুবাধে অপারেশন সেন্টমার্টিন-এ ১৯ ফ্রেরুয়ারী ২০২০ সালে গিয়েছিলাম সেই প্রবাল দ্বীপে।


আমাদের তাবু ছিল সাবরাং টুরিজম পার্ক, টেকনাফে। সেখান থেকে ফজরের নামাজ পড়ে বাসে উঠে রওয়ানা দিলাম ফেরিঘাটের দিকে। ঠিক ন’টায় টেকনাফ থেকে  জাহাজ ছাড়ল সেন্টমার্টিন এর উদ্দেশ্যে। নাফ নদীর বুক বেয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে আপন মনে যাচ্ছে জাহাজটি। একদিকে বাংলাদেশ, আরেক দিকে মিয়ানমার,  মাঝখানে জাহাজে করে যাচ্ছি আমরা, এ যেন দারুণ এক অনুভূতি।  গাঙচিলের ঝাঁক অন্য রকম আনন্দ এনে ছিল, জাহাজের সঙ্গে নেচে নেচে আসছে ওরা, আমাদেরকে অতিথি হিসেবে পেয়ে যেন তারা মহা খুশি। জাহাজটি যখন সমুদ্রে প্রবেশ করলো, তখন হারিয়ে গিয়েছিলাম নীলের এক অসীম আবেশে। ঘণ্টা দুয়েক পর ধোঁআটে নীলচে কিছুতে চোখ পড়ল, ওটাই সেন্টমার্টিন। ১২ টার দিকে অথই জলে বুক চিতিয়ে থাকা প্রবাল দ্বীপে পা পড়ল, সে এক অদ্ভুত শিহরণ!


বহু কাঙ্ক্ষিত সেই দ্বীপে আগমনের পর সকল রোভার স্কাউটরা মিলে একসাথে  সেভ দ্যা কোরাল সফলভাবে সম্পন্ন করলাম। পরে সমুদ্রজলে গোসল, ঢেউয়ের তালে তালে নাচা, ভীত মনে সাঁতার কাটা ভালই লাগছিল।  সমুদ্রের চিক চিক বালুকাময় তীরে সাইকেল চালানো ছিল বেশ মজাদার। শেখ ফরিদ (আমার খালাতো ভাই) নীল দিগন্ত রিসোর্টে চাকরি করার কারণে “নো দাইসেলফ ওপেন স্কাউট গ্রুপের” সবাই তার সৌজন্যে দুপুরের খাবার খেলাম। খাবার শেষ হতে না হতেই ঘড়ির কাটা ২.৫০ মিনিটে পৌঁছে যায়। পরে তাড়াহুড়ো করে ভ্যানগাড়ি দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হলাম জাহাজ ঘাটে। বিকাল ৩টায় জাহাজ ছাড়ল ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে টেকনাফের দিকে, সন্ধ্যা ৭ টায় আমরা গিয়ে ক্যাম্পে পৌঁছালাম।


সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক অপূর্ব সৌন্দর্য সকল রোভারদেরকে মুগ্ধ করেছিল।  সাগরের সুনীল জলরাশি আর নারিকেল গাছের সারি দেখে মনে হচ্ছিল এটিই প্রকৃতির কেন্দ্রবিন্দু। সেই তিনঘণ্টার সেন্টমার্টিন ভ্রমণ কখনো ভুলতে পারব না, স্মৃতির পাতায় চির অম্লান, চির অক্ষয় হয়ে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
copyright 2020:
Theme Customized BY MD MARUF ZAKIR